০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২১:২৪

পরীক্ষায় ভালো ফল করায় নবম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলেকে বিএমডব্লিউ উপহার বাবার

গাড়ির সাথে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী  © সংগৃহীত

ছেলে স্কুলে ভালো রেজ়াল্ট করেছে। মা-বাবা খুশি হয়ে কী উপহার দিতে পারেন? গল্পের বই, নতুন একটা ব্যাগ কিংবা সাইকেল। বড়জোড় মোটরসাইকেল। না, বর্ধমানের এক অভিভাবক সেই সব কিছুই দেননি। তিনি ছেলেকে ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা দিয়ে একটা নতুন বিএমডব্লিউ গাড়ি কিনে দিয়েছেন। সেটাও হাফ ইয়ার্লিতে ভালো রেজ়াল্টের জন্য।

ওই শিক্ষার্থী নবম শ্রেণিতে পড়ে। পূর্ব বর্ধমানের গলসির একটি স্কুলের ছাত্র। হাফ ইয়ার্লি পরীক্ষায় সে নাকি চোখ ধাঁধানো ফলাফল করেছে। নম্বর অবশ্য জানা যায়নি। তবে ছেলের সাফল্যে বেজায় খুশি বাবা। তালহা অনেক আগেই বিএমডব্লিউ গাড়ির আবদার করে রেখেছিল। রেজাল্ট দেখে আর দেরি করেননি তিনি।

জানা গেছে, পড়ুয়ার বাবার গলসিতে চারটি রাইস মিল আছে। চিন, ভিয়েতনামে চাল রপ্তানিও করেন। অঢেল টাকা-পয়সা। বিএমডব্লিউ তার কাছে বড় কোনও ব্যাপার নয়। গাড়িই তার সবেচেয়ে শখের জিনিস। নিজের গ্যারাজে রেঞ্জ রোভার, ভলভো, হুন্দাই — কী নেই! ছেলের ভালো রেজ়াল্টের খবর পাওয়া মাত্র সোজা মুম্বই পাড়ি দেন। অন্ধেরির নামী শো-রুম থেকে বিএমডব্লিউ কিনে তুলে দেন ছেলের হাতে।

কচি কলাপাতার মতো রং। একেবারে ঝাঁ চকচকে। শুক্রবার স্পেশাল কন্টেনারে সেই গাড়ি এসে পৌঁছেছে বর্ধমানের গলসিতে। তবে শুধু গাড়ি নয়। নম্বর প্লেটের জন্যও জলের মতো টাকা খরচ করেছেন তিনি। তার একাধিক গাড়ির নম্বরের শেষ তিনটি সংখ্যা ‘৫৫৫’। বলিউডের বাদশা শাহরুখ খানের মতো। তিনি অভিনেতা নন ঠিকই, তবে টাকার দৌড়ে খুব একটা পিছিয়েও নেই।

পড়ুয়ার বাবা বলেন, ‘অনেক আগেই আমাকে বলেছিল, আব্বা একটা বিএমডব্লিউ চাই। তাই কিনে দিলাম।’ ছেলে সবে ১৫-য় পড়েছে। লাইসেন্স নেই। তাই গাড়ি চালানোর প্রশ্নও ওঠে না। ওই পড়ুয়ার কথায়, ‘সপ্তাহে একদিন বেরব। বাবা চালাবে, আমি পাশে বসে থাকব।’ 

সূত্র: এই সময়