০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২১

যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম মুসলিম সিনেটর হওয়ার দৌড়ে বড় ব্যবধানে এগিয়ে আবদুল এল সাঈদ

ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল সাঈদ  © সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সিনেট নির্বাচনে প্রাথমিক ভোট গণনায় বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল সাঈদ। সর্বশেষ হিসাবে তিনি পেয়েছেন ৫৪ দশমিক ২ শতাংশ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্স পেয়েছেন ৪৪ দশমিক ২ শতাংশ ভোট। এ নির্বাচনে জয়ী হলে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর হবেন এল সাঈদ।

বুধবার (৪ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের স্থানীয় সময় রাত ১১ টা পর্যন্ত হালনাগাদ করা সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট নির্বাচনের আসনসংখ্যা হলে, সর্বশেষ হিসাবে ডেমোক্র্যাটরা ৪৮টি এবং রিপাবলিকানরা ৩৯টি আসন পেয়েছে। সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পেতে প্রয়োজন ৫১টি আসন।
 
একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচনে এখন পর্যন্ত ডেমোক্র্যাটরা ১৪৭টি এবং রিপাবলিকানরা ৮৮টি আসনে জয় পেয়েছে। ৪৩৫ সদস্যের এই কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে প্রয়োজন ২১৮টি আসন।

এনবিসি নিউজের পূর্বাভাস অনুযায়ী, জর্জিয়া, নিউ হ্যাম্পশায়ার, নর্থ ক্যারোলাইনা ও সাউথ ক্যারোলাইনায় ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে মেইন, মিশিগান, আইওয়া ও মিনেসোটার ফল এখনো অনিশ্চিত। ওহাইও, কানসাস ও টেক্সাসে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। ৪৩৫ আসনের প্রতিনিধি পরিষদে দলটি ২৪৪টি আসন পেতে পারে। অন্যদিকে রিপাবলিকানরা পেতে পারে ১৯১টি আসন। সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে প্রয়োজন ২১৮টি আসন। এই পূর্বাভাস কার্যকর হলে প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাবে রিপাবলিকানরা।

অবসর নিতে যাওয়া ডেমোক্র্যাট সিনেটর গ্যারি পিটার্সের স্থলাভিষিক্ত হতে এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এল সাঈদ ও রজার্স। সাবেক কংগ্রেস সদস্য রজার্স ২০২৪ সালের সিনেট নির্বাচনেও প্রার্থী হয়েছিলেন। তবে সে নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী এলিসা স্লটকিনের কাছে হেরে যান তিনি।

এবারের নির্বাচনে রজার্সকে সমর্থন দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যদিকে এল সাঈদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সসহ ডেমোক্রেটিক পার্টির কয়েকজন প্রভাবশালী প্রগতিশীল নেতা।

যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে মোট ১০০টি আসন রয়েছে। এবারের নির্বাচনের আগে রিপাবলিকানদের হাতে ছিল ৫৩টি এবং ডেমোক্র্যাটদের ৪৭টি আসন। অন্যদিকে প্রতিনিধি পরিষদে মোট ৪৩৫টি আসন রয়েছে। কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন, সরকারি ব্যয় অনুমোদন এবং প্রেসিডেন্টের নীতিগত উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।