১১ অক্টোবর ২০২৬, ২০:১৫

পাওয়ার ব্যাংক থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটে আগুন, জরুরি অবতরণ

উড়োজাহাজে আগুন লেগেছে  © সংগৃহীত

ভারতের দিল্লি থেকে চেন্নাইগামী ইন্ডিগোর একটি উড়োজাহাজে যাত্রীর পাওয়ার ব্যাংক থেকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (১১ অক্টোবর) উড়োজাহাজটির কেবিনের ওপরের লাগেজ রাখার জায়গা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। পরে উড়োজাহাজটি হায়দরাবাদে জরুরি অবতরণ করে। এ ঘটনায় কোনো যাত্রী বা ক্রু সদস্য আহত হননি। খবর এনডিটিভির

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইন্ডিগোর ফ্লাইট ৬ই৬১১৫ এয়ারবাস এ৩২১-২৫১এন উড়োজাহাজটি দিল্লি থেকে চেন্নাই যাচ্ছিল। উড়োজাহাজটির নির্ধারিত উড্ডয়নের সময় ছিল দুপুর ১টা ১০ মিনিট। তবে এটি উড্ডয়ন করে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে। চেন্নাইয়ে স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় পৌঁছানোর কথা থাকলেও আগুনের ঘটনায় ফ্লাইটটি হায়দরাবাদে সরিয়ে নেওয়া হয়।

ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এক যাত্রীর মোবাইল ফোনে ধারণ করা ওই ভিডিওতে দেখা যায়, কেবিনের ওপরের লাগেজ রাখার জায়গায় আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন অন্য যাত্রীরা। এ সময় তাঁদের ব্যাগ দিয়ে আগুনের শিখা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করতে দেখা যায়।

ইন্ডিগো জানিয়েছে, কেবিন ক্রুরা অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার পর নির্ধারিত নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ করে পাইলটরা উড়োজাহাজটি হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করান।

এক বিবৃতিতে ইন্ডিগো জানায়, ‘২০২৬ সালের ১১ অক্টোবর দিল্লি থেকে চেন্নাইগামী ইন্ডিগোর ফ্লাইট ৬ই ৬১১৫-এ এক যাত্রীর ব্যক্তিগত ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে ধোঁয়া শনাক্ত হওয়ার পর উড়োজাহাজটি হায়দরাবাদে সরিয়ে নেওয়া হয়। কেবিন ক্রুরা দ্রুত ব্যবস্থা নেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। প্রতিষ্ঠিত নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ করে পাইলটরা ফ্লাইটটির গন্তব্য পরিবর্তন করেন এবং হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করেন।’

যাত্রীদের চেন্নাইয়ে পৌঁছে দিতে বিকল্প উড়োজাহাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিবৃতিতে ইন্ডিগো আরও বলেছে, ‘এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে আমাদের যাত্রীদের যে অসুবিধা হয়েছে, তার জন্য আমরা দুঃখিত। অসুবিধা কমাতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। এর মধ্যে যাত্রীদের খাবার ও পানীয় সরবরাহ এবং সময়মতো হালনাগাদ তথ্য জানানো হচ্ছে। ইন্ডিগোতে আমাদের যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।’