২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪০

জরুরি ভিত্তিতে কৃষি ভিসা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

কৃষি ভিসা   © সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার কৃষি খাতে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বিদেশি শ্রমিকদের ভিসা আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার। ফসল কাটার মৌসুম সামনে রেখে জরুরি প্রয়োজনীয় শ্রমিকদের ভিসা আবেদনে অগ্রাধিকার দেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে গ্রেইন প্রডিউসারস অস্ট্রেলিয়া (জিপিএ)।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অন্যতম বড় গম, বার্লি ও ক্যানোলা রপ্তানিকারক দেশ। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এসব ফসল কাটার মৌসুম শুরু হওয়ার কথা। ফসল ঘরে তুলতে দেশটির অনেক খামারই অস্থায়ী বিদেশি শ্রমিকের ওপর নির্ভর করে।

দেশটিতে অভিবাসীর সংখ্যা ব্যাপকভাবে কমানোর নীতি নেওয়ার পর কৃষি খাতে শ্রমিক সংকট তৈরি হয়েছে। এর ফলে ফসল কাটার কাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে কৃষি খাতের জরুরি প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে ভিসা আবেদনের প্রক্রিয়া দ্রুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এক বিবৃতিতে জিপিএ জানিয়েছে, সরকারের সঙ্গে আলোচনার পর কৃষি খাতের সংগঠনগুলোকে জরুরি শ্রমিকের আবেদন অগ্রাধিকার দিয়ে প্রক্রিয়াকরণের জন্য জমা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

জিপিএর চেয়ারম্যান ম্যাথিউ ম্যাডেন বলেন, ‘এটি একটি সমাধান এবং এমন পদক্ষেপ নেয়ার জন্য আমরা সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।’ তবে এই প্রক্রিয়া বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, কতসংখ্যক ভিসা এর মাধ্যমে দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ করা সম্ভব হবে এবং এতে দ্রুত ভিসা অনুমোদন নিশ্চিত হবে কি না—সেটি এখনো স্পষ্ট নয় বলে জানান তিনি।

ম্যাডেন বলেন, ‘প্রক্রিয়াটি বাস্তবে কীভাবে কাজ করে, আমরা তা দেখব। তবে আশা করছি, এখন কৃষকদের কাছে এমন একটি ব্যবস্থা থাকবে, যার মাধ্যমে ফসল কাটার মৌসুমে প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ শ্রমিকদের এখানে আনা সম্ভব হবে।’

সরকারের নতুন ব্যবস্থায় ভিসা প্রক্রিয়াকরণের জন্য তিন মাসের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগও সীমিত করা হয়েছে।

কৃষি খাতের সংগঠনগুলো জানিয়েছে, খামার ও অন্যান্য গ্রামীণ ব্যবসায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত ‘ওয়ার্কিং হলিডে মেকার’ ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে কয়েক দিন থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত দীর্ঘ হয়েছে।