বাংলাদেশকে নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন ট্রাম্প
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে নতুন করে ১১টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশ সময় বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সম্পূরক এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বোয়িংয়ের কাছ থেকে পাঁচটি ‘৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার’ এবং ছয়টি ‘৭৩৭-৮’ মডেলের উড়োজাহাজ ক্রয় করবে। এই মেগা চুক্তিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক বার্তায় বাংলাদেশ ও বোয়িংয়ের মধ্যকার এই দিনটিকে ঐতিহাসিক হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বিশেষ পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নতুন এই বিমান কেনাবেচাকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও অভ্যন্তরীণ কর্মসংস্থানের জন্য এক বিশাল সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেন। বোয়িং ও মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিকের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি লেখেন, ‘মার্কিন বাণিজ্য বিভাগ ও বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিকের সহায়তায় আজ তুরস্ক ও বাংলাদেশ মোট ১১১টি বোয়িং বিমান কেনার ঘোষণা দিয়েছে এবং পরবর্তীতে আরও ৫০টি উড়োজাহাজ কেনার বিকল্প সুযোগ রাখা হয়েছে। হাজার হাজার কোটি ডলারের এই বিশাল বিক্রি ও রফতানি চুক্তিজুড়ে পুরো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হাজার হাজার কর্মসংস্থান তৈরিতে সরাসরি সহায়তা করবে।’
আমেরিকায় তৈরি পণ্য ও অভ্যন্তরীণ উৎপাদন নির্ভর নীতির সাফল্য দাবি করে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমেরিকায় তৈরি করলে, আমেরিকা থেকে রপ্তানি করলে এবং মার্কিন শ্রমিকদের সমর্থন জানালে যে প্রতিষ্ঠানগুলো অর্থনৈতিকভাবে আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে—বাজার এখন তা স্বীকার করছে। বোয়িং ও তাদের অসাধারণ কর্মীদের এই অর্জনে অভিনন্দন।’
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বলছেন, বোয়িংয়ের এই বৃহৎ বাণিজ্য চুক্তি মার্কিন বিমান উৎপাদন খাত ও দুই দেশের কূটনৈতিক-অর্থনৈতিক সম্পর্কে ইতিবাচক বার্তা পাঠাল।