১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৮

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশন শুরু

জাতিসংঘ সদর দপ্তর  © টিডিসি ফটো

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশন শুরু হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অধিবেশনের উদ্বোধন হয়। এই বছর জলবায়ু, উন্নয়ন, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে, বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে পারস্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও যৌথ দায়িত্ববোধের ভিত্তিতে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতিসংঘ আয়োজিত ‘এসডিজি মোমেন্ট’ অনুষ্ঠানে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় শুক্রবার তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। আমাদের এখন কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী তার বার্তায় এসডিজি বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব জোরদার, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানগণও ভিডিও বার্তা প্রদান করেন।

এদিকে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি ২৪ সেপ্টেম্বর ভাষণ দেবেন। এর মধ্য দিয়ে বাবা-মার পারিবারিক ও ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে যাচ্ছেন তারেক রহমান।

এদিকে দীর্ঘদিন পর তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফর স্মরণীয় করে রাখতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। দফায় দফায় বৈঠক করছেন তারা। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের স্বাগত জানাতে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে যাবেন হাজারো নেতাকর্মী। শুক্রবারও কয়েকটি প্রস্তুতি সভা করেছেন।

৮১তম অধিবেশন শুরু
স্থানীয় সময় শুক্রবার সকালে জাতিসংঘের ৮১ তম সাধারণ অধিবেশন শুরু হয়েছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের রেজ্যুলেশন ৭৪/৪ অনুযায়ী, মহাসচিব এ বছরের প্রতিপাদ্য—“একসাথে, আমরা পারব” (Together, We Can Do It)—এর অধীনে 'এসডিজি মোমেন্ট' আহ্বান করা হয়। এই প্রতিপাদ্যটি বর্তমান পরিস্থিতির তাগিদ এবং আশাবাদ উভয়কেই তুলে ধরে: ক্রমবর্ধমান নানা চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন এখনো সম্ভব, যদি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে, প্রমাণিত সমাধানগুলোর পরিধি বাড়ায় এবং বাস্তবায়নের গতি ত্বরান্বিত করে। 

কেননা, বিগত এক দশকের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে যে, দৃঢ় পদক্ষেপ ভালো ফলাফল এনে দিতে পারে। সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস রিপোর্ট ২০২৬ অনুযায়ী, যেসব ১৩৯টি লক্ষ্যমাত্রার তথ্য পাওয়া গেছে, তার মধ্যে ৩৬ শতাংশ সঠিক পথে রয়েছে অথবা মধ্যম অগ্রগতি অর্জন করেছে—যা আগের বছরের তুলনায় ইতিবাচক। তবে এই অগ্রগতি এখনো অত্যন্ত ধীর এবং অসম। অর্থায়নের ঘাটতি, জলবায়ুর আঘাত, ঋণের বোঝা, সংঘাত ও বৈষম্য অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করে চলেছে। তা সত্ত্বেও রূপান্তর এখনো সম্ভব; কিন্তু লক্ষ্যগুলোর অগ্রগতি বাড়াতে প্রয়োজন বড় পরিসরে সমন্বিত উদ্যোগ, ধারাবাহিক বিনিয়োগ, মজবুত অংশীদারিত্ব এবং নতুন করে আন্তর্জাতিক সংহতি।

জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, সংলাপে সরকার, নাগরিক সমাজ, বেসরকারি খাত, তরুণ প্রজন্ম এবং জাতিসংঘ ব্যবস্থার অন্যান্য অংশীদাররা একত্রিত হয়ে ঋণের সংকট, ক্রমবর্ধমান বৈষম্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এটাই) সুযোগ ও চ্যালেঞ্জের মতো কাঠামোগত বাধাগুলো দূর করার বাস্তবসম্মত উপায় খুঁজবে। এসডিজি লিডার ও চ্যাম্পিয়নরা ব্যক্তিগত ও কমিউনিটি-ভিত্তিক উদ্যোগের সাফল্য প্রদর্শন করবেন। সবাই মিলে এটিই তুলে ধরবেন যে—মানুষ, পৃথিবী, সমৃদ্ধি, শান্তি ও অংশীদারিত্বের জন্য '২০৩০ এজেন্ডা'-র প্রতিশ্রুতি এখনো নাগালের মধ্যেই রয়েছে।

উদ্বোধনী অধিবেশনে জাতিসংঘ মহাসচিব এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি বক্তব্য রাখেন। এতে মোট চারটি সেশন ছিলো। এছাড়াও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বেসরকারি খাত, শিক্ষাবিদ, বিশেষজ্ঞ, তরুণ প্রজন্ম এবং অন্যান্য অংশীদারদের এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হবে।

কর্মব্যস্ত সময় কাটাবেন প্রধানমন্ত্রী
জানা যায়, সোমবার নিউইয়র্ক পৌঁছানোর পর কর্মব্যস্ত সময় কাটাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর তিনি গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে অবস্থান করবেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্র সফরের শুরুতে জাতিসংঘের মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হবেন। বৈঠকে আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অবদান, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর কার্যকর অংশীদারত্ব নিয়ে আলোচনা প্রাধান্য পাবে।

এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মধ্যপ্রাচ্য এবং এশিয়ার বিভিন্ন মিত্র দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠকের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এসব আলোচনায় বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং কৌশলগত সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। এসডিজি অগ্রগতি পর্যালোচনা, ডিজিটাল উদ্ভাবন এবং বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক একাধিক উচ্চপর্যায়ের সাইড-ইভেন্টে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখবেন।

নতুন বাংলাদেশের পরিকল্পনা তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী
জানা গেছে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ এবং নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকার তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছাবেন তিনি। ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এ ভাষণে প্রধানমন্ত্রী সরকারের অগ্রাধিকার, সংস্কার কার্যক্রম এবং ‘নতুন বাংলাদেশ’ নিয়ে সরকারের লক্ষ্য ও পরিকল্পনা তুলে ধরবেন বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানা গেছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারবিষয়ক চুক্তির (আইসিসিপিআর) সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নাগরিকদের নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলো তুলে ধরতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ ২০০০ সালে এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।

পারিবারিক ধারা ও ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ধারাবাহিকতায় এবার জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান। একই পরিবারের তিন বিশিষ্ট রাজনীতিকের বিশ্বমঞ্চে বিশ্বনেতাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখার এই ঘটনা দেশের রাজনীতিতে এক বিরল ও ঐতিহাসিক নজির স্থাপন করতে যাচ্ছে।

এর আগে আজ থেকে ৪৬ বছর ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট জাতিসংঘের ১১তম সাধারণ পরিষদের বিশেষ অধিবেশনে ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।ওই ভাষণে কেবল তিনি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক দুরবস্থার বর্ণনা কিংবা উন্নয়নশীল বিশ্বের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরেননি, বরং প্রশ্ন তুলেছিলেন যে, আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা কাদের স্বার্থে কাজ করছে এবং সেই ব্যবস্থায় ছোট ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রগুলোর মর্যাদা, নিরাপত্তা ও স্বার্থ কীভাবে নিশ্চিত করা হবে? উক্ত ভাষণে তিনি উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোর অর্থনৈতিক মুক্তি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক বৈষম্য দূর করার ওপর বিশেষ জোর দেন। একইসঙ্গে বিশ্বশান্তি বজায় রাখা এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থান তিনি বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেছিলেন।

এরপর সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে ২০০৫ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দিয়েছিলেন। ২০০৫ সালে জাতিসংঘের বিশ্ব সম্মেলনে ওয়ার্লড সামিটসহ একাধিক অধিবেশনে তিনি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে ভাষণ প্রদান করেন। বাবা ও মায়ের মতোই ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান।

কেননা, নতুন বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রূপান্তর, অর্থনৈতিক নীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অগ্রাধিকারগুলো বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ভুঁইয়া মিল্টন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে জাতিসংঘে বাংলায় বক্তব্য রেখে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভূ-রাজনীতি ও অবস্থান শক্তভাবে তুলে ধরেছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে একাধিকবার জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশগ্রহণ করেন এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও সার্বজনীন অধিকার নিয়ে বিশ্বের দরবারে বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

এবার ৮১ তম সাধারণ অধিবেশনে বাবা ও মায়ের রাজনৈতিক উত্তরসূরি হিসেবে বিশ্বমঞ্চে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ ভাষণকে ঘিরে দেশি-বিদেশি রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে প্রবল আগ্রহ।

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এসএম আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বহু বছর পর বিশ্বমঞ্চে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই আসন্ন ভাষণ কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক রূপরেখা, অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং ভবিষ্যতের কৌশল তুলে ধরার এক বড় সুযোগ। বিশ্বনেতারা এবং দেশের সাধারণ মানুষ এখন অধীর আগ্রহে প্রহর গুনছেন—কবে এবং কোন বিশেষ প্রেক্ষাপটে বিশ্বমঞ্চে প্রতিধ্বনি হবে তারেক রহমানের এই ঐতিহাসিক বক্তব্য। এখন শুধুই মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষা।

যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতাদের ব্যাপক প্রস্তুতি
প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধানের যুক্তরাষ্ট্র সফর স্মরণীয় করে রাখতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। দফায় দফায় বৈঠক করছেন তারা। দলটির নির্বাহী কমিটির আরেক সদস্য গিয়াস আহমেদ বলেন, আমরা সকল নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত। ইনশাআল্লাহ সোমবার জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাতে নেতাকর্মীদের ঢল নামবে।

বোস্টন বিএনপির সভাপতি বদরা সাইদ বলেন, দীর্ঘদিন পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফর ঘিরে প্রবাসীদের মাঝে উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেত্রী কর্মীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আবু সাঈদ আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে নিউইয়র্কে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন স্থানে পোস্টার-ব্যানার লাগানো হয়েছে।

নিউইয়র্ক দক্ষিণ মহানগর বিএনপির সভাপতি বলেন, সেলিম রেজা বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তৃতীয় প্রজন্ম হিসেবে জাতিসংঘের অধিবেশনে ভাষণ দিতে যুক্তরাষ্ট্র আসছেন এটি আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। আমরা তাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত।

জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক তোফায়েল লিটন চৌধুরী বলেন, এ কথা অনস্বীকার্য যে, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফর স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাকে স্বাগত জানাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেট বিএনপির নেতাকর্মীরা ইতিমধ্যে নিউইয়র্কে চলে এসেছেন।