১৯ জুলাই ২০২৬, ১০:০৫

গুলিবিদ্ধ ফিলিস্তিনি ফুটবলার মারা গেছেন

ফিলিস্তিনি যুব ফুটবলার ফাদি হামদাল্লাহ আল-নাসসান  © সংগৃহীত

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ পর মারা গেছেন ১৭ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি যুব ফুটবলার ফাদি হামদাল্লাহ আল-নাসসান। শনিবার (১৯ জুলাই) তার পরিবার ও ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। খবর আল জাজিরার

ফাদি আল-নাসসান স্থানীয় আল-মুঘাইয়্যির ক্লাবের খেলোয়াড় ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ফিলিস্তিনের যুব জাতীয় ফুটবল দলেরও সদস্য ছিলেন। শনিবার রামাল্লার প্যালেস্টাইন মেডিকেল কমপ্লেক্স থেকে তার মরদেহ নিজ গ্রাম আল-মুঘাইয়্যিরে নেওয়া হয়। পরে সেখানে তাকে দাফন করা হয়। শেষযাত্রায় অংশ নেন স্বজন, সতীর্থ ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এবং জাতিসংঘ পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের নীতিকে ‘বর্ণবৈষম্যমূলক (অ্যাপারথাইড) ব্যবস্থা’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। ১৭ বছর বয়সী আল-নাসসান স্থানীয় আল-মুঘাইয়্যির ক্লাবের খেলোয়াড় ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ফিলিস্তিনের যুব জাতীয় ফুটবল দলের সদস্যও ছিলেন।

শনিবার কালো পোশাক পরিহিত শোকাহত স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা রামাল্লার প্যালেস্টাইন মেডিকেল কমপ্লেক্স থেকে তার মরদেহ নিজ গ্রাম আল-মুঘাইয়্যিরে নিয়ে যান। পরে সেখানে তাকে দাফন করা হয়।

ফিলিস্তিন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (পিএফএ) দাবি, গত ১১ জুলাই বসতি স্থাপনকারীরা আল-মুঘাইয়্যির গ্রামে হামলা চালানোর সময় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে আল-নাসসানের উরুতে গুলি লাগে। পরে তার একটি পা কেটে ফেলতে হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গুরুতর আঘাতের কারণে তিনি মারা যান।

এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বিবৃতিতে পিএফএ জানায়, ‘ফাদির মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ফিলিস্তিনি ক্রীড়াঙ্গনের নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৩ জনে। এর মধ্যে ৫৬৮ জনই ফিলিস্তিনি ফুটবল পরিবারের সদস্য।’

নিহত ফুটবলারের বাবা হামদাল্লাহ আল-নাসসান বলেন, হামলার সময় নারী ও শিশুদের চিৎকার শুনে তাদের সাহায্য করতে ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে গিয়েছিল তার ছেলে। সেখানেই সে গুলিবিদ্ধ হয়।