আযানের শব্দে মুগ্ধ হলেন আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
পর্দা নামল ইউরেশিয়ার দেশ তুরস্কে অনুষ্ঠিত ট্রান্স আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো)-র শীর্ষ সম্মেলনের। সেখানে সামরিক চুক্তিকে ছাপিয়ে আলোচনায় এখন আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিষ্ট্রুন ফ্রস্তাদোত্তির ইসলাম সম্পর্কে করা মন্তব্য। মুসলিমদের সহনশীলতা ও আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়ে নিজের চমৎকার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন ক্রিষ্ট্রুন ফ্রস্তাদোত্তির। বিশেষ করে তুর্কি সংস্কৃতির ঐতিহ্য এবং আজানের সুমধুর সুর তার হৃদয়ে গভীর রেখাপাত করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। খবর তুর্কি গণমাধ্যম ইয়ানি সাফাকের
ন্যাটো সম্মেলন চলাকালীন গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তুরস্কের মুসলিমদের সহনশীলতা দেখে আমি অত্যন্ত মুগ্ধ হয়েছি। তারা আমাকে ভীষণ উষ্ণতার সাথে স্বাগত জানিয়েছেন। সেখানকার আজানের ধ্বনি আমার মনের গভীরে দাগ কেটেছে; এর সুর ও সুরের গভীরতা ছিল সত্যিই অসাধারণ এবং চিত্তাকর্ষক। আমি খুব শিগ্গিরই আবারও তুরস্ক ভ্রমণে আসব।’
ভূ-রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য তুরস্কের চিরাচরিত ধর্মীয় সম্প্রীতি ও উদার আতিথেয়তার চিত্রকে বিশ্বমঞ্চে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরেছে, যা কূটনৈতিক মহলেও বেশ প্রশংসিত হচ্ছে। অবশ্য এবারের ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন আলোচনা এসেছে অতিথিদের দেওয়া উপহার নিয়ে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েব এরদোয়ান সম্মেলনে আসা অতিথিদের একটি করে পিস্তল উপহার দিয়েছেন। যেটা নিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে বেশ আলোচনা হচ্ছে।