বাজেটে শিক্ষার বরাদ্দ বৃদ্ধি ও বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে গুরুত্বারোপ ইউনিসেফের
জাতীয় বাজেটে শিক্ষা ও শিশুকল্যাণ খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং সেই বরাদ্দের কার্যকর বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ)। আজ মঙ্গলবার (২ মে) জাতীয় সংসদ ভবনে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপির কার্যালয়ে ইউনিসেফ বাংলাদেশের সোশ্যাল পলিসি চিফ স্ট্যানলি গুয়াভুইয়ার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, দেশে সবার সন্তান থাকলেও তাদের সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে এখনও পর্যাপ্ত সচেতনতা গড়ে ওঠেনি। তিনি শিশুবান্ধব বাজেট ও নীতি প্রণয়নে সংসদীয় ককাস গঠনের আগ থেকেই ইউনিসেফের অব্যাহত প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, শিশুবান্ধব নীতি প্রণয়নের বিষয়ে সংসদে যেসব সদস্য বক্তব্য রাখবেন, তাদের নিয়ে গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হলে এ বিষয়ে আরও ফলপ্রসূ আলোচনা সম্ভব হবে।
ইউনিসেফের প্রতিনিধিরা বলেন, সংসদ সদস্যদের সঙ্গে অ্যাডভোকেসি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রাক-বাজেট ব্রিফিং ও গোলটেবিল আলোচনা আয়োজনের প্রয়োজন রয়েছে। এর মাধ্যমে শিশুরা সরাসরি নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সুযোগ পাবে এবং তাদের মতামত নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় প্রতিফলিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে। কেবল বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধি করাই যথেষ্ট নয়; বরং বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক ব্যবহার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
সাক্ষাৎকালে শিশু অধিকার, শিশুবান্ধব নীতি প্রণয়ন, বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি এবং বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় ইউনিসেফ প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে সোশ্যাল পলিসি অ্যান্ড ইকোনমিক স্পেশালিস্ট মো. আশিক ইকবাল, কমিউনিকেশন স্পেশালিস্ট ফারিয়া সেলিম, কমিউনিকেশন অফিসার কারিশমা আহমেদসহ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।