সীমান্তে ড্রোন, হাই রেজলিউশন ক্যামেরা দিয়ে নজরদারি করবে ভারত
অনুপ্রবেশ ঠেকানো এবং সীমান্ত নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে আগামী এক বছরের মধ্যে ‘স্মার্ট বর্ডার’ প্রকল্প চালু করবে কেন্দ্রীয় সরকার। শুক্রবার বিএসএফ-এর একটি অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এ কথা জানান।
তিনি এ দিন আবারও স্পষ্ট করেন, অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে সরকারের অবস্থান সম্পূর্ণ ‘জ়িরো টলারেন্স’। তার দাবি, অনুপ্রবেশের মাধ্যমে ভারতের জনবিন্যাস পরিবর্তনের একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র চলছে বলে কেন্দ্র মনে করে।
‘স্মার্ট বর্ডার’ প্রকল্পের অধীনে প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্তে নজরদারিতে প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়ানো হবে। সীমান্তে শুধু জওয়ান নির্ভর টহল নয়, বরং আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করে তৈরি করা হবে শক্তিশালী পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা।
এ ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে ড্রোন, হাই রেজ়লিউশন ক্যামেরা এবং বিভিন্ন ধরনের উন্নত মনিটরিং ডিভাইস। সীমান্তের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
শাহ বলেন, সীমান্তে পুরো এলাকাজুড়ে সবসময় জওয়ান মোতায়েন করা সম্ভব নয়। তাই নির্দিষ্ট দূরত্বে বাহিনী মোতায়েন করে সেখান থেকে নিয়মিত পেট্রোলিং চালানো হয়। এবার সেই ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হবে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি।
তিনি আরও বলেন, বর্ডার আউটপোস্টের বাইরেও ইন্টেলিজেন্স নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় বাড়াতে হবে বিএসএফকে। তার মতে, এই সমন্বয় পশ্চিমবঙ্গ, আসাম এবং ত্রিপুরায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এছাড়া রাজস্ব দপ্তরের সঙ্গেও সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি, যাতে গরু পাচারের মতো সীমান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।