৩০ মার্চ ২০২৬, ০৭:৩৬

ইলন মাস্ককে সহায়তার প্রস্তাব জুকারবার্গের

ইলন মাস্ক ও জুকারবার্গ  © সংগৃহীত

মার্ক জুকারবার্গ ও ইলন মাস্ক—প্রযুক্তি দুনিয়ার বহুল আলোচিত দুই নাম। তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা সময়েই জোর আলোচনা হয়েছে। একপর্যায়ে উত্তেজনা এতটাই বেড়েছিল যে, দুজনের মধ্যে ‘কেজফাইট’র কথাও উঠেছিল। তবে সাম্প্রতিক নথি ইঙ্গিত দিচ্ছে, সেই সম্পর্কের টানাপোড়েন অনেকটাই কমেছে। আদালতে জমা দেওয়া এক মামলার নথিতে দেখা যায়, জুকারবার্গ নিজেই মাস্ককে বার্তা পাঠিয়ে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন।

নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি এই বার্তা আদান-প্রদান হয়। ওই সময় একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে করপোরেট আমেরিকা নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন জুকারবার্গ।

বার্তায় তিনি জানান, সরকারের কার্যক্রম কমানোর উদ্যোগে গঠিত ‘ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি’ অগ্রগতি করছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, তার টিম প্রস্তুত রয়েছে—যদি মাস্কের টিমকে লক্ষ্য করে কোনো হুমকি বা ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস (ডক্সিং) সংক্রান্ত কনটেন্ট ছড়ায়, তা সরিয়ে দিতে।

জুকারবার্গ লেখেন, “আপনার টিমের বিরুদ্ধে হুমকি বা ডক্সিং হলে আমরা ব্যবস্থা নেব। আরও কিছু প্রয়োজন হলে জানাবেন।”

এর জবাবে মাস্ক একটি হৃদয়ের ইমোজি পাঠান। পরে তিনি জানতে চান, ওপেনএআই অধিগ্রহণে যৌথভাবে বিড করার বিষয়ে জুকারবার্গ আগ্রহী কি না।

জবাবে জুকারবার্গ ফোনে আলোচনা করার প্রস্তাব দিলেও শেষ পর্যন্ত তিনি ওই উদ্যোগে যুক্ত হননি বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে। এই বার্তাগুলো প্রকাশ পায় মাস্কের করা একটি মামলার অংশ হিসেবে, যা ওপেনএআইকে ঘিরেই।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রযুক্তি খাতে প্রতিযোগিতা থাকলেও বড় ইস্যুতে শীর্ষ উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও নীতিনির্ধারণী বিষয়ে এই যোগাযোগ ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

সব মিলিয়ে, জুকারবার্গ–মাস্ক সম্পর্কের এই নতুন দিক প্রযুক্তি অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।