২৮ মার্চ ২০২৬, ১৩:০৩

ভবিষ্যতে ওয়াশিংটন হয়তো ন্যাটোর পাশে নাও থাকতে পারে: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প  © সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি সুরক্ষিত করতে সামরিক বাহিনী পাঠাতে ন্যাটো মিত্রদের অস্বীকৃতির বিষয়ে হতাশার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতে অনুরোধ করা হলেও ওয়াশিংটন হয়তো ন্যাটোর পাশে নাও থাকতে পারে। বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মিয়ামিতে বিনিয়োগ ফোরামে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা তো ছিলই না। ‘আমরা প্রতি বছর ন্যাটোর জন্য শত শত বিলিয়ন ডলার খরচ করি, তাদের রক্ষা করি। আমরা সব সময় তাদের পাশে থাকতাম। কিন্তু এখন তাদের কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতে মনে হয়, আমাদের থাকার দরকার নেই। তারা যদি আমাদের পাশে না থাকে, তাহলে আমরা কেন তাদের পাশে থাকব? আমাদের পাশে তারা তো ছিলই না।’

ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরাইলি অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে পশ্চিমা মিত্রদের সমর্থনের অভাব এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে বাহিনী পাঠাতে অনীহা দেখানোয় বারবার হতাশা প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। এ প্রণালি উপসাগরীয় তেল ও গ্যাস রপ্তানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ, যা ইরানের আক্রমণের ঝুঁকিতে রয়েছে।

আরও পড়ুন: ইরানের পক্ষে যুদ্ধে জড়াচ্ছে আরও এক দেশ!

এ জলপথ দিয়ে যান চলাচল কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে, যার ফলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানির দাম বেড়েছে। ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি এবং জাপানসহ ছয়টি দেশ জানিয়েছে, তারা উপযুক্ত উদ্যোগে অবদান রাখতে প্রস্তুত, কিন্তু কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি।

ট্রাম্প গত সপ্তাহে ন্যাটোর অন্যান্য সদস্য দেশগুলোকে ‘কাওয়ার্ড’ বা  কাপুরুষ বলে অভিহিত করেন। তিনি ঘোষণা করেন, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া এ জোট কেবল ‘কাগুজে বাঘ’।

বৃহস্পতিবার তিনি তার 'ট্রুথ সোশ্যাল' প্ল্যাটফর্মে বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাটোর কাছ থেকে কিছুই প্রয়োজন নেই।’ তার ভাষ্য, ন্যাটোর দেশগুলো এখন সামরিকভাবে বিধ্বস্ত ইরানের বিরুদ্ধে সাহায্য করার জন্য বিন্দুমাত্র কিছুই করেনি।