ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইসরায়েলের সব স্কুলে সশরীরে ক্লাস বাতিল
দক্ষিণ ইসরায়েলের আরাদ ও ডিমোনা শহরে ইরানের জোড়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর দেশজুড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সশরীরে ক্লাস বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েলের শিক্ষা মন্ত্রণালয়। দেশটির শিক্ষা মন্ত্রী ইয়োভ কিশ জানিয়েছেন, রবিবার ও সোমবার সব স্কুলে সরাসরি উপস্থিত থেকে পাঠদান বন্ধ থাকবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন পদ্ধতিতে ক্লাস পরিচালনা করা হবে।
শনিবার (২১ মার্চ) ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল-এর খবরে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।
খবরে বলা হয়, শনিবার দক্ষিণাঞ্চলের ডিমোনা ও আরাদ শহরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শিক্ষা মন্ত্রী জানান, হামলার প্রেক্ষাপটে এবং আইডিএফ হোমফ্রন্ট কমান্ডের সঙ্গে পরামর্শ করেই রবিবার ও সোমবারের জন্য সব ব্যতিক্রম বাতিল করে সশরীরে ক্লাস স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এমনকি বিশেষ শিক্ষার ক্ষেত্রেও কোনো ব্যতিক্রম রাখা হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
খবরে আরও বলা হয়, ইরানের হামলায় ওই দুই শহরে প্রায় ১০০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে শুধু আরাদ শহরেই ৫০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন বলে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। হামলার পর পরিস্থিতি মোকাবিলায় উদ্ধার ও জরুরি তৎপরতা জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বর্তমানে মাঠে কাজ করা জরুরি ও উদ্ধারকারী বাহিনীগুলোকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে।
এর আগে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের কারণে টানা দুই সপ্তাহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। গত সপ্তাহে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি কম এমন এলাকাগুলোতে সীমিত আকারে ক্লাস চালু করা হলেও নতুন করে হামলার পর আবারও দেশজুড়ে সশরীরে পাঠদান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।