২০ মার্চ ২০২৬, ০৬:১২

ইসরায়েল ও ইরান এই অঞ্চলকে যুদ্ধে টেনে আনছে: কাতারের প্রধানমন্ত্রী

কাতারের প্রধানমন্ত্রী আল থানি  © ফাইল ফটো

কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মেদ বিন আবদুর রহমান আল থানি বলেছেন, ইসরায়েল ও ইরান এই অঞ্চলকে যুদ্ধে টেনে আনছে।

কাতার ও তুরস্কের পক্ষ থেকে যৌথ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন।

কাতারে এলএনজি উৎপাদনকারী স্থাপনা রাস লাফানে হামলাকে “ইরানিদের পক্ষ থেকে অত্যন্ত বিপজ্জনক এক উত্তেজনা বৃদ্ধি” বলেও অভিহিত করেছেন তিনি।

কাতারের প্রধানমন্ত্রী এই অঞ্চলে ইরানের হামলা "অবিলম্বে বন্ধ করা" এবং উত্তেজনা প্রশমনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, কাতারে তার এই সফর সংহতির বহিঃপ্রকাশ।

"আমরা সেইসব হামলার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই, যা বেসামরিক নাগরিকদের জীবনের প্রতি চরম অবজ্ঞা প্রদর্শন করে এবং বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু বানায়," তিনি বলেন।

"এই হামলাগুলোকে কখনোই বৈধতা দেওয়া যায় না," তিনি যোগ করেন।

এদিকে ইরান যুদ্ধ নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করার সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র “পরিকল্পনাতেই আছে” এবং “লক্ষ্যের দিকে অগ্রসর” রয়েছে।

তবে সংঘাত কখন শেষ হতে পারে—তার সুনির্দিষ্ট সময়সীমা তিনি দিতে চাননি। আরও স্পষ্টতার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “আমরা কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিতে চাই না”।

তিনি ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য পুনর্ব্যক্ত করেন, এর মধ্যে রয়েছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ব্যবস্থা ও নৌবাহিনী ধ্বংস করা, এবং “ইরান যেন কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে” তা নিশ্চিত করা।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাত হাজারেরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে, এবং “আমরা কী লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করছি এবং কেন করছি, সে বিষয়ে আরও নির্দিষ্ট ধারণা” নিয়ে কাজ করছে সেনারা।

সূত্র: বিবিসি বাংলা