০১ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪৭

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মধ্য ইসরায়েলে নিহত ১, আহত ২০

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের বিধ্বস্ত একটি ভবন  © সংগৃহীত

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মধ্য ইসরায়েলে একজন নিহত হয়েছেন এবং অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে দেশজুড়ে সাইরেন বেজে ওঠে এবং একাধিক স্থানে সরাসরি আঘাতের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি।

খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ অভিযানে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলার পর তেহরান পাল্টা হিসেবে ইসরায়েলের দিকে ২০০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। শনিবার সন্ধ্যায় শুরু হওয়া এ হামলায় মধ্য ইসরায়েলে এক নারী নিহত হন এবং আরও ২০ জন আহত হন।

ইসরায়েলের জরুরি সেবা সংস্থা জানিয়েছে, গুশ দান এলাকায় একাধিক স্থানে সরাসরি আঘাতের খবর পাওয়া গেছে। প্যারামেডিক দলগুলো ঘটনাস্থলে আহতদের সন্ধান ও উদ্ধার তৎপরতা চালায়। প্রাথমিকভাবে একটি স্থানে সাতজন হালকা আহত হন, যাদের মধ্যে ৪০ বছর বয়সী একজন গুরুতর আহত ছিলেন।

পরবর্তীতে ইসরায়েলের ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিস জানায়, গুশ দান এলাকার একটি ভবনে সরাসরি আঘাতে আরও ১৫ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। কিছুক্ষণ পর এমডিএ ৪০ বছর বয়সী এক নারীর মৃত্যুর ঘোষণা দেয়; গুরুতর আঘাতের কারণেই তার মৃত্যু হয়।

দমকল বিভাগ জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকা পড়ে আছে কিনা তা নিশ্চিত করতে উদ্ধারকারী দলগুলো তল্লাশি চালাচ্ছে।

এদিকে শনিবার সকালে ইরান প্রথম দফা হামলায় ইসরায়েলের দিকে প্রায় ২০০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এর মধ্যে ৩৫টি ইসরায়েলি আকাশসীমায় প্রবেশ করে এবং বাকিগুলো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় প্রতিহত করা হয়। এতে মধ্য ও উত্তর ইসরায়েলে সাইরেন বেজে ওঠে।

এমডিএ জানায়, উত্তর ইসরায়েলের একটি আবাসিক ভবনেও সরাসরি আঘাত হানে একটি ক্ষেপণাস্ত্র। ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, তিরাত হাকারমেল এলাকার একটি ২০ তলা ভবনে ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরো আঘাত করে ১৭ তলা পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতি ছড়িয়ে পড়ে। হিব্রু গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, ওই ঘটনায় একজন ব্যক্তি সামান্য আহত হয়েছেন।