২২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭:৪৪

ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘চাম্পি’, আঘাত হানতে পারে যেসব অঞ্চলে

সুপার টাইফুন চাম্পি   © সংগৃহীত

ঘণ্টায় ২২৭ কিলোমিটারের বেশি গতিতে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী সুপার টাইফুন ‘চাম্পি’। এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র তাইওয়ানের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করা ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পূর্ব দিক দিয়ে অতিক্রম করে চীনের উপকূলের দিকে মোড় নিতে পারে। পরে এটি দক্ষিণ জাপানের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে ইতোমধ্যে ২০০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। পরিবর্তন আনতে হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের একটি বড় সামরিক মহড়ার পরিকল্পনাতেও।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাইওয়ানের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া কর্তৃপক্ষের (সিডব্লিউএ) তথ্য অনুযায়ী, ‘চাম্পি’ ইতোমধ্যে সুপার টাইফুনে পরিণত হয়েছে। চলতি বছর প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আঘাত হানা শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়গুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ঘূর্ণিঝড়টির তীব্রতা কিছুটা কমলেও কেন্দ্রের কাছাকাছি বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ২২৭ কিলোমিটারের বেশি রয়েছে। তাইওয়ানের আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টির ব্যাসার্ধ বেড়ে প্রায় ৩২০ কিলোমিটার হয়েছে। এর ফলে দ্বীপরাষ্ট্রটির বড় একটি অংশ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

সিডব্লিউএর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ‘চাম্পি’ তাইওয়ানের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে প্রায় ৫২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, এটি তাইওয়ানের উত্তর-পূর্ব দিক দিয়ে অতিক্রম করে চীনের উপকূলের দিকে মোড় নিতে পারে। এরপর ঘূর্ণিঝড়টি দক্ষিণ জাপানের দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আবহাওয়াবিদদের ধারণা, ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাব প্রায় দুই দিন স্থায়ী হতে পারে। এরই মধ্যে উপকূলীয় শহরগুলোতে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। এসব বার্তায় ৬ মিটারের বেশি উঁচু ঢেউয়ের আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া তাইওয়ানের রাজধানী তাইপের আশপাশের পাহাড়ি এলাকা এবং দ্বীপরাষ্ট্রটির উত্তরাঞ্চলের পার্বত্য এলাকায় প্রায় এক মিটার বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ। এতে এসব এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত ও সংশ্লিষ্ট দুর্যোগের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।