২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪:৩১

লঘুচাপে ভারী বৃষ্টির আভাস, কয়েক অঞ্চলে নদীর পানি বাড়ার শঙ্কা

নদীর পানি বেড়ে বন্যার শঙ্কা  © সংগৃহীত

দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এতে কয়েকটি নদীর পানি বাড়তে পারে। কোথাও কোথাও নিচু এলাকায় সাময়িক প্লাবনের আশঙ্কাও রয়েছে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহকারী প্রকৌশলী মো. মাহমুদুল ইসলাম শোভন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-উত্তর উড়িষ্যা উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে আগামী তিন দিন দেশের অভ্যন্তরে সিলেট, ময়মনসিংহ, রংপুর ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং সংলগ্ন উজান এলাকায় মাঝারি-ভারী থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।

আরও বলা হয়, মনু, খোয়াই ও খোলাই নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় এসব নদীর পানি আরও বেড়ে সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে। এতে হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলার নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িক প্লাবন হতে পারে। আগামী তিন দিন পর্যন্ত এসব নদীর পানি বাড়তে পারে। এরপর দুই দিন পানি স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়, সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানিও গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে। আগামী তিন দিন এ দুই নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। গোমতী, মুহুরী, সলোনিয়া ও ফেনী নদীর পানি বেড়েছে। আগামী এক দিন এসব নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে। এরপর দুই দিন পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে। পরবর্তী তিন দিনে আবার পানি কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী এক দিনও এই পরিস্থিতি থাকতে পারে। এরপর পরবর্তী চার দিনে নদী দুটির পানি বাড়তে পারে।

গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি বর্তমানে স্থিতিশীল। আগামী পাঁচ দিন এ নদীগুলোর পানির সমতল স্থিতিশীল থাকতে পারে। তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। অন্যদিকে দুধকুমার নদীর পানি কমেছে। আগামী এক দিন নদীগুলোর পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে। এরপর পরবর্তী দুই দিনে পানি কিছুটা বাড়তে পারে।