বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে কুশিয়ারা নদীর পানি, অব্যাহত বন্যা পূর্বাভাস
দেশের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি হ্রাস-বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলেও সিলেটের কুশিয়ারা নদীর পানি এখনও বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) এ তথ্য জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নদী পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র।
গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। তবে আগামী ৩ দিন এসব নদীর পানি ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পেতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। পর্যবেক্ষণাধীন স্টেশনগুলোর মধ্যে কেবল সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ স্টেশনে কুশিয়ারা নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
অপরদিকে, রংপুর বিভাগের প্রধান নদী তিস্তার পানি সমতল গত ২৪ ঘণ্টায় স্থিতিশীল ছিল। একই সময়ে ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টা এ পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে এবং পরবর্তী ২ দিনে এই নদীগুলোর পানি আরও হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদ-নদীর পানি হ্রাস পেয়েছে এবং এটি আগামী ৫ দিন অব্যাহতভাবে হ্রাস পেতে পারে। তবে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় গঙ্গা ও পদ্মা নদীর পানি বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৫ দিনে গঙ্গা-পদ্মার পানি বৃদ্ধি পেতে পারে; তবে এই বৃদ্ধিসত্ত্বেও নদী দুটির পানি বিপদসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় গোমতী, মুহরী, সেলোনিয়া ও ফেনী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এই নদীগুলোর পানি আগামী ১ দিন আরও বৃদ্ধি পেতে পারে; ২য় দিনে স্থিতিশীল থেকে ৩য় দিন থেকে হ্রাস পেতে শুরু করবে বলে জানা গেছে। হালদা নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। পূর্বাভাসের তথ্যানুযায়ী, সাঙ্গু ও মাতামুহুরীর পানি আগামী ১ দিন হ্রাস পেতে পারে, ২য় দিনে পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকবে এবং ৩য় দিনে পুনরায় বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।