সিলেটে দুই দিনে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির পূর্বাভাস
দেশের নদ-নদীগুলোর মধ্যে বর্তমানে শুধু সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ স্টেশনে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে আগামী দুই দিনের মধ্যে কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
বুধবার (২৯ জুলাই) পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সর্বশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।
বুলেটিনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদ-নদীর পানির স্তর কমেছে। এ ধারা আগামী একদিন অব্যাহত থাকতে পারে এবং পরবর্তী দুই দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। ফলে আগামী দুই দিনের মধ্যে সিলেট জেলার কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে উত্তর উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম দিকে সরে গিয়ে বর্তমানে উত্তর উড়িষ্যা ও দক্ষিণ ঝাড়খণ্ড এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হতে পারে।
এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানির স্তর কমেছে। আগামী তিন দিন তা আরও কমতে পারে এবং পরবর্তী দুই দিন কিছুটা বাড়তে পারে। তবে এ সময় নদীগুলো বিপদসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
গঙ্গা নদীর পানির স্তর স্থিতিশীল এবং পদ্মা নদীর পানির স্তর কিছুটা কমেছে। আগামী তিন দিন এ পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে, এরপর দুই দিন পানি বাড়লেও তা বিপদসীমার নিচেই থাকবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম বিভাগের মাতামুহুরী নদীর পানির স্তর গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে। তবে গোমতী, মুহুরী, ফেনী, সেলোনিয়া, হালদা ও সাঙ্গু নদীর পানির স্তর একই সময়ে কমেছে।