২৪ আগস্ট ২০২৬, ০৯:২০

গ্যাস সংকটে ময়মনসিংহে দুই কারখানা বন্ধ, বেকার এক হাজারের বেশি শ্রমিক 

গ্যাস সংকটে দুটি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে  © সংগৃহীত

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় গ্যাস সংকটে দুটি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। ঐ দুটি কারখানায় কর্মরত ছিলেন এক হাজার ৪৪ জন শ্রমিক।  আরও পাঁচটি শিল্পকারখানার গ্যাসনির্ভর ইউনিট আংশিক বন্ধ রাখা হয়েছে।

শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানা দুটি হলো ভালুকার কাঠালী এলাকার ওসমান গ্রুপের রাসেল স্পিনিং মিল এবং এক্সিলেন্ট টাইলস। রাসেল স্পিনিং মিলের সংশ্লিষ্ট ইউনিটে ৬৭২ জন শ্রমিক কাজ করতেন। অন্যদিকে এক্সিলেন্ট টাইলসে কর্মরত ছিলেন ৩৭২ জন।

বুধবার থেকেই শ্রমিকদের ছুটি দিতে শুরু করে রাসেল স্পিনিং মিলস কর্তৃপক্ষ। পরে বৃহস্পতিবার পুরো ইউনিটের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময় শ্রমিকদের জানানো হয়, গ্যাস-সংকটের কারণে আপাতত উৎপাদন চালানো সম্ভব হচ্ছে না।

অন্যদিকে গ্যাস-সংকটের কারণে আংশিক বন্ধ রয়েছে এক্সিলেন্ট সিরামিক, সৌদি বাংলা ফিডস, আকবর কটন, ডেনিস মাল্টিপারপাস ও তাল্লু স্পিনিং মিল। এসব কারখানা আগে থেকেই ঘোষণা দিয়ে গ্যাসনির্ভর ইউনিটের কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে।

শেফার্ড গ্রুপের ফ্যান্সি ইয়ার্ন নামের একটি কারখানাও শনিবার বন্ধ ছিল। তবে রবিবার কারখানাটি আবার উৎপাদনে ফিরেছে।

শিল্প পুলিশ ৫-এর পুলিশ সুপার আনছার উদ্দিন জানান, গ্যাসের চাপ খুব একটা বাড়েনি। আগের মতোই রয়েছে। এখন পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহে লক্ষণীয় কোনো উন্নতির তথ্য পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে স্পিনিং মিলগুলো গ্যাসের স্বল্পতায় চরম সংকটে রয়েছে। ফলে উৎপাদন মারাত্মকভাবে কমে গেছে।

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ভালুকা আঞ্চলিক কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক (সিস্টেম অপারেশন) শামীম হোসেন জানান, ভালুকা এলাকায় ১৪০ ও ৫০ পিএসআইয়ের দুটি পৃথক লাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। রোববার দুপুরের দিকে সরবরাহ লাইনে মাত্র ৬০ পিএসআই গ্যাস পাওয়া যাচ্ছিল।