১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:০৬

চবিতে প্রথমবারের মতো চালু হলো অনলাইন সনদ আবেদন ব্যবস্থা

অনলাইন সনদ আবেদন ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান।  © টিডিসি ছবি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) একাডেমিক সনদ-সংক্রান্ত কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, আধুনিক ও সময়োপযোগী করতে অনলাইন সনদ আবেদন ব্যবস্থা উদ্বোধন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বেলা ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে এ অনলাইন সনদ আবেদন ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, নতুন এ ব্যবস্থার মাধ্যমে সনদ-সংক্রান্ত সেবার জন্য আবেদন করতে গ্র্যাজুয়েটদের আর সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে এসে আবেদন করতে হবে না। অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন জমা দেওয়ার পাশাপাশি নির্ধারিত ফি পরিশোধের সুবিধাও থাকবে। এ ছাড়া আবেদন করার পর সেবাটির সর্বশেষ অবস্থা বা ‘স্ট্যাটাস’ অনলাইনেই দেখা যাবে। ফলে আবেদন প্রক্রিয়ার অগ্রগতি সম্পর্কে সহজেই জানতে পারবেন আবেদনকারীরা।

সেবাটি উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন চবি উপাচার্য ও চাকসু সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান, চাকসু ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি, জিএস সাইদ বিন হাবিব, এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিকসহ অন্যান্য চাকসু নেতারা।

চাকসুর সহ-দপ্তর সম্পাদক জান্নাতুল আদন নুসরাত বলেন, ‘চাকসু নির্বাচনের সময় একাডেমিক ও প্রশাসনিক জটিলতা কমানো এবং সার্টিফিকেট-মার্কশিটের আবেদন অনলাইনে করার বিষয়টি আমার ইশতেহারে ছিল। নির্বাচিত হওয়ার পর কার্যনির্বাহী সভায় এ দাবি জানিয়ে দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বারবার তাগাদা দিয়েছি। এর ফলে এখন দেশের যেকোনো স্থান থেকে অনলাইনে সনদ, মার্কশিট ও ভেরিফিকেশনের আবেদন এবং ফি পরিশোধের পাশাপাশি আবেদনের স্ট্যাটাসও ট্র্যাক করা যাবে। সার্টিফিকেট ও মার্কশিট কুরিয়ারে পাওয়ার বিষয়টিও শিগগিরই চালু হবে।’

চাকসু নির্বাহী সদস্য সোহানুর রহমান বলেন, ‘পড়াশোনা শেষে সার্টিফিকেটসহ প্রয়োজনীয় সনদ নিতে শিক্ষার্থীদের আবারও ক্যাম্পাসে এসে দপ্তরে দপ্তরে ঘুরতে হতো। এ ভোগান্তি কমাতে অনলাইনে আবেদন ও কুরিয়ারে সনদ পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছি। প্রথম ধাপে আজ আবেদন প্রক্রিয়াটি অনলাইনে এসেছে। এখন যেকোনো স্থান থেকে আবেদন করা যাবে। কুরিয়ারের মাধ্যমে ঘরে বসে সনদ পাওয়ার বিষয়টিও নিয়ে কাজ চলছে। আশা করি, এটিও শিগগিরই বাস্তবায়ন হবে ইনশাআল্লাহ।’