শিক্ষক হয়েও আমরা শিক্ষকদের বিশ্বাস করি না, কারণ বিশ্বাসের মতো শিক্ষক নিয়োগ দিই না
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কামরুল হাসান মামুন বলেছেন, শিক্ষক হয়ে আমরা শিক্ষকদের বিশ্বাস করি না কারণ বিশ্বাস করার মত শিক্ষক নিয়োগ দেই না। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি লেখেন, ১০৫ বছরেও শিক্ষক নিয়োগের পদ্ধতি ও এন্ট্রি লেভেলে শিক্ষকের ন্যূনতম যোগ্যতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন পরিবর্তন ঘটেনি। শুধু তাই না, ১০৫ বছরেও পরীক্ষা পদ্ধতি ও প্রশ্নপত্র প্রণয়ন এবং উত্তরপত্র মূল্যায়নও কোন পরিবর্তন হয়নি।
ঢাবি অধ্যাপক আরও লেখেন, অথচ এই ১০৫ বছরে যেই সব বিশ্ববিদ্যালয় র্যাংকিং-এ ৪০০ এমনকি ৫০০ এর মধ্যে আছে তাদের ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। আর পরিবর্তন বা বিবর্তন হলো উন্নতির প্রাথমিক শর্ত। এখনও বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে এন্ট্রি লেভেলের পদের নাম প্রভাষক অথচ যেইসব বিশ্ববিদ্যালয় র্যাংকিং-এ ৪০০ এর মধ্যে সেগুলোর এন্ট্রি লেভেলের পদের নাম সহকারী অধ্যাপক এবং ন্যূনতম যোগ্যতা শুধু পিএইচডিই না অনেক ক্ষেত্রে সাথে পোস্টডকও লাগে।
তিনি আরও বলেন, এখনও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ থেকে ৫টি রচনামূলক প্রশ্ন করা হয়। এখনও প্রতিটি উত্তরপত্র কোর্স শিক্ষকের বাহিরেও অন্য একজন শিক্ষক দিয়ে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হয়। এর কারণে ফলাফল প্রকাশে দেরি হয় যার ফলে শিক্ষার্থীদের সেশন জ্যামে পড়ে জীবন থেকে মূল্যবান সময় হারাতে হয় আর একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়কে উত্তরপত্র মূল্যায়নের নামে অতিরিক্ত টাকা খরচ করতে হয়।