বিদ্যুৎ গেলেই অকেজো হয়ে পড়ে সরকারি সিমের ইন্টারনেট সেবা
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) লোডশেডিং হলেই অকেজো হয়ে পড়ে সরকারি সিম কোম্পানি টেলিটকের ইন্টারনেট সেবা। এতে প্রতিনিয়ত চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে চবি শিক্ষার্থীদের। রবিবার (১৬ আগস্ট) চবির একাধিক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় এরিয়ায় ইন্টারনেট সেবার পরিস্থিতি নিয়ে এসব অভিযোগ করেছেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ চলে গেলে সিমের নেটওয়ার্ক থাকলেও থাকে না টেলিটকের ইন্টারনেট সেবা। এর ফলে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জরুরি সেবা, স্থানীয় ব্যাবসা এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। স্থবির হয়ে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম। সেই সাথে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চবির ৩৫ হাজার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
ভোগান্তির শিকার চবি শিক্ষার্থী সালাউদ্দিন সাকিব বলেন, আমি অনলাইনে পড়াই, আমার ফোনে এখনও ৮ গিগাবাইট পূর্ণ আছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের এরিয়ায় বিদ্যুৎ চলে গেলে টেলিটক সিমের ইন্টারনেট শূন্যের কোটায় চলে আসে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে প্রতিনিয়ত।
চবি প্রকৌশল দপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল আহাদ এবং চবি আইসিটি সেলের অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. মো. রোকনুদ্দিন ফারুকী বলেন, টেলিটকের ইন্টারনেট সিস্টেমের বিষয়টি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ দেখভাল করেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ এখানে দায়িত্বরতও নেই। এটি সরাসরি টেলিটক চট্টগ্রামের আঞ্চলিক অফিস থেকে পরিচালনা করা হয়।
তবে এ বিষয়ে টেলিটক চট্টগ্রাম অঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জামাল উদ্দিন বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে টেলিটকের যাবতীয় বিষয় আমরা দেখাশোনা করি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে প্রতিবছর টাওয়ার বাবদ নির্ধারিত ফি পরিশোধ করা হয়। মূলত ব্যাটারি ব্যাকআপ না থাকায় ইন্টারনেট সেবায় এ ধরনের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। তবে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে বিষয়টি সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।