২২ জুলাই ২০২৬, ১৭:১৪

বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের স্বর্ণপদক পেলেন জাবি অধ্যাপক শামীম কায়সার

অধ্যাপক ড. এম. শামীম কায়সার  © সংগৃহীত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি (আইআইটি)-এর অধ্যাপক ড. এম. শামীম কায়সার বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের ফিজিক্যাল সায়েন্সেস ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন। এ অর্জনে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান। বুধবার (২২ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অফিস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৫ জুলাই বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের সেক্রেটারি স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে অধ্যাপক ড. এম. শামীম কায়সারকে স্বর্ণপদক প্রদানের বিষয়টি জানানো হয়।

ড. শামীম কায়সার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত পদার্থবিজ্ঞান, ইলেকট্রনিক্স ও যোগাযোগ প্রকৌশলে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর এবং থাইল্যান্ডের এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এআইটি) থেকে টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

তিনি যুক্তরাজ্যের অ্যাংলিয়া রাসকিন বিশ্ববিদ্যালয় ও কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্টডক্টরাল গবেষক এবং জাপানের তোহোকু বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ‘এডভান্সড ইন্টেলিজেন্স, ইনফরমেটিক্স অ্যান্ড স্মার্ট ট্রান্সফরমেশন’ গবেষণা দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং, বিগ ডাটা অ্যানালিটিক্স, সাইবার নিরাপত্তা, ক্লাউড কম্পিউটিং এবং স্মার্ট হেলথকেয়ার তাঁর প্রধান গবেষণার ক্ষেত্র। এ পর্যন্ত তিনি ৩৫০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ, বই ও বইয়ের অধ্যায় প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ও সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত একাধিক গবেষণা প্রকল্পে প্রধান গবেষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এ ছাড়া Research.com-এর সূচকে তিনি ২০২৪ ও ২০২৫ সালে বাংলাদেশের সেরা কম্পিউটার বিজ্ঞানী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। একই সঙ্গে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে স্থান পেয়েছেন।

অভিনন্দন বার্তায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, ড. এম. শামীম কায়সারের এ স্বর্ণপদক অর্জন তাঁর গবেষণা ও শিক্ষকতা জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই স্বীকৃতি তাঁকে ভবিষ্যতে আরও নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে গবেষণা, উদ্ভাবন এবং সমাজকল্যাণে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রয়োগে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে।