কাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা, সৃজনশীলতা ও উদ্যোক্তা সম্ভাবনাকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় যুক্ত করার লক্ষ্যে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠান। সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপি উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এমপি এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা সূচনা বক্তব্য দেবেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান স্বাগত বক্তব্য রাখবেন।
অনুষ্ঠানের শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। উদ্বোধনী পর্বে বাংলাদেশে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের ওপর তথ্যচিত্র প্রদর্শন, সফল উদ্যোক্তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময়, স্টার্টআপ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মুক্ত আলোচনা এবং নির্বাচিত স্টার্টআপের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে উদ্বোধন করা হবে জাতীয় স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম। এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটি উদ্যোক্তাদের জন্য জাতীয় পর্যায়ের একটি লঞ্চপ্যাড হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে উদ্যোক্তারা সরকারি সহায়তা কর্মসূচি, আবেদন প্রক্রিয়া, প্রশিক্ষণ, মেন্টরিং, বিনিয়োগের সুযোগ, অংশীদার প্রতিষ্ঠান এবং প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সেবা এক জায়গা থেকেই জানতে ও গ্রহণ করতে পারবেন। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এর মাধ্যমে উদ্যোক্তা উন্নয়ন কার্যক্রমে সমন্বয় বাড়বে এবং দেশে আরও কার্যকর স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে উঠবে।
আরও পড়ুন : কেন জমে গিয়েছিল উত্তর মেরুর আগে দক্ষিণ মেরু, মিলেছে রহস্যের ব্যাখ্যা
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ জানায়, তরুণদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব উদ্যোগে রূপ দেওয়া, প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টি, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা এবং জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন সমন্বিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। একই সঙ্গে প্রাথমিক ধারণা থেকে শুরু করে প্রশিক্ষণ, মেন্টরিং, অনুদান, অর্থায়ন, বিনিয়োগ সংযোগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণ পর্যন্ত একজন উদ্যোক্তার পুরো যাত্রাপথে সহায়তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬-এ স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা উন্নয়নকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ ফান্ড গঠন করা হয়েছে, যা উদ্ভাবনী উদ্যোগের অর্থায়ন ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উল্লেখ্য, উদ্বোধনী পর্ব শেষ হওয়ার পর বেলা ১টা থেকে অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।