ঢাবির রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট হিসেবে তালিকাভুক্তির নিবন্ধন শুরু
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) সিনেটে ২৫ জন রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট হিসেবে তালিকাভুক্তির নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে যোগ্য গ্র্যাজুয়েটরা আজীবন অথবা তিন শিক্ষাবর্ষের জন্য রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট হিসেবে নাম তালিকাভুক্ত করতে পারবেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩-এর প্রথম সংবিধির ৪৬ ধারার (১), (২) ও (৫) উপধারা অনুযায়ী যাদের নাম আজীবন রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছে এবং ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে যারা আজীবন অথবা তিন শিক্ষাবর্ষের জন্য রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট হিসেবে তালিকাভুক্ত হবেন, কেবল তারাই সিনেট নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্য হবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, যাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলাফল ৩০ জুন ২০২৩ বা তার আগে প্রকাশিত হয়েছে, অর্থাৎ কমপক্ষে তিন বছর আগে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন, তারা নির্ধারিত রেজিস্ট্রেশন ফি জমা দিয়ে রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট হিসেবে নাম তালিকাভুক্ত করতে পারবেন।
এছাড়া ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে যারা তিন শিক্ষাবর্ষের জন্য রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছিলেন, তাদের নিবন্ধনের মেয়াদ ৩০ জুন ২০২৫ তারিখে শেষ হয়েছে। নতুন করে নিবন্ধন না করলে তারা এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।
আরও পড়ুন: ঢাবির সাংবাদিকতা-থিয়েটারসহ ৮ বিভাগকে ৩টিতে একীভূতের প্রস্তাব
রেজিস্ট্রেশন ফি হিসেবে তিন শিক্ষাবর্ষের জন্য রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে এক হাজার টাকা এবং আজীবন রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য দুই হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নির্ধারিত আবেদনপত্র পূরণ করে ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত জনতা ব্যাংক পিএলসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস শাখা (টিএসসি)-তে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট’ খাতে নগদ অর্থ জমা দেওয়া যাবে। আবেদন ফরম প্রশাসনিক ভবনের ২০৭ নম্বর কক্ষ এবং জনতা ব্যাংক পিএলসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস শাখা (টিএসসি) থেকে প্রতি কপি ১০ টাকা মূল্যে সংগ্রহ করা যাবে।
আবেদনপত্রের সঙ্গে ডিগ্রি সনদের সত্যায়িত ফটোকপি এবং চার কপি সত্যায়িত পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি জমা দিতে হবে। অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটরা এ তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন না।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, ১ জুলাই ২০২২ থেকে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত যারা আজীবন রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন কিন্তু এখনো ডিজিটাল আইডি কার্ড সংগ্রহ করেননি, তারা অফিস চলাকালীন সময়ে প্রশাসনিক ভবনের ২০৭ নম্বর কক্ষ থেকে তা সংগ্রহ করতে পারবেন।
এছাড়া ২০১২-২০১৩ শিক্ষাবর্ষের আগে যারা আজীবন রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন এবং ডিজিটাল আইডি কার্ড নিতে আগ্রহী, তারা নির্ধারিত ফরমে প্রয়োজনীয় তথ্য উল্লেখ করে দুই কপি সত্যায়িত পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি এবং ৩০০ টাকা ফি জমা দিয়ে ডিজিটাল আইডি কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন।
একই সঙ্গে আজীবন রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে কেউ মৃত্যুবরণ করে থাকলে তার নাম, রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং মৃত্যুর সমর্থনে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংশ্লিষ্ট অফিসে পাঠানোর জন্যও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অনুরোধ জানিয়েছে।