ঢাবির আবাসিক এলাকায় সাবলেটে কড়াকড়ি প্রশাসনের
নীতিমালা ভঙ্গ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আবাসিক এলাকায় বরাদ্দকৃত বাসা সাবলেট দেওয়ার বিরুদ্ধে ফের কঠোর অবস্থান নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সতর্কতা দিয়ে আবাসিক এলাকার বাসাগুলো দ্রুত ভাড়াটিয়ামুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট ম্যানেজার (ভারপ্রাপ্ত) ফাতেমা বিনতে মোস্তফা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাসায় বসবাস সম্পর্কে যাবতীয় নিয়মাবলি বরাদ্দপত্রে উল্লেখ করা আছে। বরাদ্দপত্রের শর্ত অনুযায়ী, ‘কোন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী বরাদ্দকৃত বাসা সাব-লেট দিতে পারবেন না। কেউ বরাদ্দকৃত বাসা সাব-লেট দিলে এবং উহা প্রমাণিত হলে উক্ত বাসার বরাদ্দ বাতিল করা হবে।’
এতে আরও বলা হয়, লক্ষ্য করা যাচ্ছে- বিভিন্ন আবাসিক এলাকার বরাদ্দপ্রাপকগণ বিশেষ করে উত্তর নীলক্ষেত, দক্ষিণ নীলক্ষেত, শেখ রাসেল টাওয়ার, বঙ্গবন্ধু টাওয়ার, স্বাধীনতা টাওয়ার, শিববাড়ী ও আজিমপুর আবাসিক এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম ভঙ্গ করে বরাদ্দপ্রাপক বরাদ্দপত্রের শর্ত অমান্য করে বাণিজ্যিকভাবে অন্যের নিকট সম্পূর্ণ/আংশিক বাসা ভাড়া দিয়েছেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি পরিপন্থি ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এ অবস্থায় অনতিবিলম্বে বরাদ্দকৃত বাসা ভাড়াটিয়া মুক্ত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, ২০২৪ সালে সম্পূর্ণ বাসা ভাড়া দেওয়া ৪৯টি বাসার বরাদ্দ বাতিল করা হয়। এছাড়া প্রায় ২০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী যারা বাসার একটি বা দুটি কক্ষ সাবলেট দিয়েছিলেন তাদের সতর্ক করা হয়।