ডুয়েট ক্যাম্পাস ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনের মধ্যেই ক্যাম্পাস শাটডাউনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা এ ঘোষণা দেন। এতে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে ডুয়েটের সকল কার্যক্রম।
উপাচার্যকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করে আজ পঞ্চম দিনের মতো চলছে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। পরবর্তী ঘোষণা দেয়ার আগ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ডুয়েট ক্যাম্পাস কমপ্লিট শাটডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে সংঘর্ষের ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ২৫০ জনকে আসামি করে মামলা করেছে পুলিশ।
সোমবারও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে ডুয়েট ব্লকেড কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ৮টা থেকে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন। এতে বন্ধ থাকে প্রতিষ্ঠানের দাপ্তরিক ও একাডেমিক কার্যক্রম। পরে দুপুর ১টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
বিকেলে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে ডুয়েট শাখা ছাত্রদল। এছাড়া রোববার (১৭ মে) সংঘর্ষের ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে অজ্ঞাতপরিচয় ২০০-২৫০ জনকে আসামি করে মামলা করেছে পুলিশ। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নতুন উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকবাল রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করে তার দাপ্তরিক কাজ শুরু করেছেন।
আরও পড়ন: রাবিতে কোডিং পদ্ধতিতে খাতা মূল্যায়ন শুরু হয়নি ১০ মাসেও
গত ১৪ মে ডুয়েটের উপাচার্য হিসেবে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবালকে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারির পর ওইদিন রাত সাড়ে ৯টা থেকে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করেন।
ডুয়েটের উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এ অবস্থায় রবিবার শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষের সংঘর্ষে গেটের বাইরে থাকা পুলিশ সদস্য, গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাত হোসেন ও সাধারণ ছাত্রসহ ১৪-১৫ জন আহত হন। এ ঘটনায় থানায় সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে অজ্ঞাতপরিচয় ২০০-২৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।