‘কার সাথে কাকে মিলাও, আমি রাস্তার লোক?’— জাবি উপাচার্য-আন্দোলনকারীদের বাকবিতণ্ডা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যা চেষ্টার ঘটনায় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অভিযুক্তকে আটকের জন্য ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয়। আল্টিমেটামের সময় শেষ হলে শিক্ষার্থীরা প্রক্টরের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। আন্দোলনের এক পর্যায়ে উপাচার্য ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা দেখা যায়।
শনিবার (১৬ মে) সকালের দিকে এ বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে উপাচার্যকে ‘ফ্যাসিস্ট’ বলে আখ্যা দেন আন্দোলনকারীরা।
এ সময় উপাচার্য বলেন, ‘১৭ বছরের মূল্যবোধের অবক্ষয় আমি টানছি। ১৭ বছর ফ্যাসিস্টের মধ্যে ছিলাম। ওদের বিচার, ছাত্রদের বিচার, সকল অন্যায়কারীর বিচার হবে একটা লোককেও ছাড়া হবে না। যেটা ন্যায্য সেটা আমি করবো, নিয়মের বাইরে আমি যাব না।’
তিনি আরও বলেন, ‘২৪ সালে ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী ছিলাম। কোনো উপাচার্য পেয়েছিলে, যে কয়দিন দাঁড়িয়ে ছিল আমার মতো? এই যে আগের উপাচার্য, ২৪ এর আন্দোলনের সময় এই গেটের সামনে বাচ্চাগুলোকে মারছিল—ওই লোকটা ভিতরে বসে ছিলেন। কার সাথে কাকে মিলাও? আমি রাস্তার লোক।’
এর আগে, ঘটনার পরদিন থেকেই আন্দোলনকারীরা ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন যে, এর মধ্যে অভিযুক্তকে আটক করতে হবে, অন্যথায় প্রক্টরকে পদত্যাগ করতে হবে।
আল্টিমেটামের সময় শেষ হওয়ার আগেই রাত ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টারজান পয়েন্টে জড়ো হতে থাকেন আন্দোলনকারীরা। গতকাল (১৫ মে) সময় শেষ হলে রাত ৩টার দিকে টারজান পয়েন্ট থেকে প্রক্টরের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন তারা।