০৪ মে ২০২৬, ২০:৪০

ঢাবি শিক্ষার্থীর মাস্টার্স ভর্তিতে এগিয়ে এলেন ছাত্রদল নেতা তারিক

ছাত্রদল নেতা তারিক  © সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক মেধাবী শিক্ষার্থীর মাস্টার্স ভর্তির পথ সুগম করতে আর্থিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতা মো. তরিকুল ইসলাম তারিক।

অর্থাভাবে ঝরে পড়ার শঙ্কায় থাকা ওই শিক্ষার্থীর ভর্তির প্রয়োজনীয় সব দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। তরিকুল ইসলাম তারিক জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং সলিমুল্লাহ মুসলিম (এসএম) হল ছাত্রদলের সাবেক নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক।

সহায়তাপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চাইনিজ ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের ছাত্র এবং বর্তমানে স্যার এ এফ রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।

আগামী ৭ মে তার মাস্টার্সে ভর্তির শেষ সময়। কিন্তু স্কলারশিপ পরীক্ষার ফি প্রদান, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ, এফিডেভিট এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সংক্রান্ত কাজে নিজের জমানো সব অর্থ ব্যয় করে ফেলেন তিনি। অন্যদিকে, পরিবার ঋণে জর্জরিত থাকায় সেখান থেকেও কোনো সহায়তা নেওয়া সম্ভব ছিল না। এমন অনিশ্চয়তার মধ্যে হলের এক বড় ভাইয়ের মাধ্যমে তিনি তরিকুল ইসলাম তারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।  

সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যায় বিষয়টি জানার পরপরই তরিকুল ইসলাম তারিক ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে ভর্তির প্রয়োজনীয় অর্থ সহায়তা হিসেবে পৌঁছে দেন।

সহায়তা পেয়ে ওই শিক্ষার্থী কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, টাকার অভাবে আমার পড়াশোনা প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। এমতাবস্থায়, আমি আমার হলের এক বড় ভাইয়ের মাধ্যমে ছাত্রদল নেতা তারিক ভাইয়ের বিষয়ে জানতে পারি। তার কাছে সমস্যার কথা তুলে ধরি।  তারিক ভাই আমার সমস্যার কথা শুনে যেভাবে এগিয়ে এসেছেন, তাতে আমি মানসিকভাবে নতুন উদ্দীপনা পেয়েছি। তিনি আমার জীবনে নতুন করে বাঁচার প্রেরণা জুগিয়েছেন। আমি ও আমার মা তার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।

বিষয়টিকে কেবলই একজন শিক্ষার্থীর প্রতি কর্তব্যবোধ হিসেবে দেখছেন তরিকুল ইসলাম তারিক। তিনি বলেন, রাজনীতির ঊর্ধ্বে হলো মানবিকতা। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাবির একজন মেধাবী ছাত্রের পড়াশোনা কেবল টাকার অভাবে বন্ধ হয়ে যাবে—এটি মেনে নেওয়া যায় না। ছেলেটির সংকটের কথা শুনে আমি স্থির থাকতে পারিনি এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে সমাধান করার চেষ্টা করেছি।

তিনি আরও বলেন, ছাত্র রাজনীতির মূল লক্ষ্যই হওয়া উচিত সাধারণ শিক্ষার্থীদের সেবা করা এবং সংকটে তাদের পাশে দাঁড়ানো।