০৩ মে ২০২৬, ১৬:৪৫

অনার্সের পর মাস্টার্সে ৩.৯৬ পেয়ে উত্তীর্ণ চাকসুর জিএস সাঈদ বিন হাবিব

সাঈদ বিন হাবিব  © টিডিসি ফটো

অনার্সের পর এবার মাস্টার্সেও একাডেমিক সাফল্য অর্জন করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও শাখা ছাত্রশিবিরের আন্তর্জাতিক ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক সাঈদ বিন হাবিব। ইতিহাস বিভাগ থেকে ৩.৯৬ সিজিপিএ নিয়ে স্নাতকোত্তর শেষ করেছেন তিনি। মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণিতে সম্মিলিতভাবে দ্বিতীয় হয়েছেন সাঈদ। 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ইতিহাস বিভাগের প্রকাশিত ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা যায়।

জানা গেছে, এর আগে অনার্সে সাঈদ বিন হাবিব প্রথম বর্ষে সিজিপিএ ৩.৭৯ অর্জন করেন। দ্বিতীয় বর্ষে  সিজিপিএ ছিল ৩.৫০, তৃতীয় বর্ষে ৩.৬৯ এবং চতুর্থ বর্ষেও তিনি ৩.৬৯ সিজিপিএ পান। সব বর্ষের ফলাফল মিলিয়ে স্নাতক পর্যায়ে তার সম্মিলিত সিজিপিএ হয়েছিল ৩.৬৮। ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক পরীক্ষায় তিনি ইতিহাস বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেছিলেন। এবার মাস্টার্সে ভালো ফলাফল করেছেন তিনি।

সাফল্যের বিষয়ে জানতে চাইলে সাঈদ বিন হাবিব বলেন, আসলে আমি চেষ্টা করেছি মাত্র, ফলাফল দেওয়ার মালিক মহান আল্লাহ। সব কৃতজ্ঞতা তার প্রতি, যিনি তার অফুরন্ত রহমত, দয়া, সাহায্যের মাধ্যমে আমাকে এই সম্মান অর্জনের তৌফিক দিয়েছেন। এ ছাড়া পরিবারের নিরন্তর দোয়া, সম্মানিত শিক্ষকদের অমূল্য পরামর্শ, আর প্রিয়জনদের অনুপ্রেরণা, উৎসাহ আমাকে সহায়তা করেছে। সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, আসলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে সরকারের অর্থায়নে আমরা পড়াশোনা করছি। বাংলাদেশে পড়াশোনার খরচ হিসেবে নামমাত্র খরচে পড়াশোনা শেষ করেছি। সরকার এই অর্থের যোগান দিয়েছে বাংলাদেশের মেহনতি কৃষক, শ্রমিক, অসংখ্য দরিদ্র ভাই-বোনদের ট্যাক্সের টাকায়। সে হিসেবে পড়াশোনার শেষে আমি বাংলাদেশের সকল জনগণের কাছেও দায়বদ্ধ। আল্লাহ তায়ালা আমাকে দিয়ে যেন এই প্রিয় মাতৃভূমির উপকারে কাজে লাগায় আল্লাহর কাছে সেই দোয়া করছি। 

তিনি আরও বলেন, আমার এই ফলাফল অর্জনে আমার সংগঠন বড় ভূমিকা পালন করেছে। আমার দায়িত্বশীল ভাইয়েরা সবসময় আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন। এ ছাড়া  চাকসুর দায়িত্ব নেওয়ার পর আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করছি। চাকসুর পাশাপাশি সংগঠনের একটা বড় দায়িত্ব আমার আছে, সবমিলিয়ে চাপ গেছে। তবে, অ্যাকাডেমিক প্রয়োজনে আমাকে কাজ থেকে ভাইয়েরা ছুটি দিয়েছেন। ভাইদের দোয়া, উৎসাহ ছিলো। সবমিলিয়েই আল্লাহ কবুল করেছেন।