০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৫

মার্কেট আউট তিন ইনজেকশনের জেরে ঢামেক চিকিৎসক-ঢাবি শিক্ষার্থী সংঘর্ষ

ঢামেক হাসপাতালের বর্তমান পরিস্থিতি ও প্রেসক্রিপশন (ইনসেটে)  © টিডিসি ছবি

একিউট প্যানক্রিয়াটাইটিস বা তীব্র অগ্ন্যাশয় প্রদাহ নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র সানিম। জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর যে তিনটি ইনজেকশন কিনতে দিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পর সহপাঠীদের নিয়ে ফিরে এসে চিকিৎসকদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন ওই শিক্ষার্থী। যা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এই ঘটনা ঘটে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কর্তব্যরত চিকিৎসক ও ঢামেক হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার রনি যে তিনটি ইনজেকশন দিয়েছিলেন, সেগুলোর সরবরাহ হাসপাতালটিতে নেই। তবে ঢামেক হাসপাতালের বাইরের ফার্মেসিগুলোতে হন্যে হয়ে খুঁজেও এসব ইনজেকশন পাননি ওই শিক্ষার্থী। এ নিয়েই উত্তপ্ত পরিস্থিতির তৈরি হয়।

প্রেসক্রিপশনে থাকা ইনজেকশন তিনটি হল— অ্যালজিন, ন্যালবান-২ ও কোসেক। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আশপাশের ফার্মেসিতে ঘুরে দেখা গেছে, গত তিন-চারদিন থেকে এই ইনজেকশনগুলো পাওয়া যাচ্ছে না।

ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী ঢাবি শিক্ষার্থীর জরুরি প্রয়োজনেই তাকে ইনজেকশনগুলো দেওয়া হয়েছিল। তবে এগুলো বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না এই তথ্যটি তাদের কাছে ছিল না।

এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় রাত পৌনে আটটার দিকে হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্লকের সভাকক্ষে জরুরি বৈঠকে বসে সব পক্ষ। এতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, হাসপাতালের পরিচালক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম, পুলিশের ডিসি এবং শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকে ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠনের আলোচনা হয়েছে।