৩০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০৫

ঢাবি প্রো-ভিসি শিক্ষার রুটিন দায়িত্বে উপাচার্য ড. ওবায়দুল ইসলাম

অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম  © টিডিসি ফটো

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নতুন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) পদটি বর্তমানে শূন্য রয়েছে। নতুন নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এখন থেকে নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরের (একাডেমিক) দায়িত্ব পালন করবেন।

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (শিক্ষা-২) মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জানা গেছে, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদকে সম্প্রতি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। ফলে তিনি সেখানে চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদান করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) পদটি শূন্য রয়েছে। তবে নতুন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে এই দায়িত্ব পালন করবেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরের (একাডেমিক) পাশাপাশি সরকার নতুন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরও (এডমিন) নিয়োগ দিতে পারে। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়টি একাধিক বিএনপিপন্থী সাদা দলের অধ্যাপক দৌড়ঝাঁপ করছেন।

এরমধ্যে সরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসির দায়িত্ব পালন করা অধ্যাপক, বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষদের ডিন, সাদা দলের প্রভাবশালী দুইজন অধ্যাপকও রয়েছেন। 

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করা অধ্যাপক ড. সায়েমা হক বিদিশা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের আশীর্বাদে নিয়োগ পেয়েছিলেন ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে। তারা দুজনই (একজন সাবেক) বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক। 

এছাড়া ড. সায়েমা হক বিদিশা পূর্ববর্তী প্রশাসন অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করায় বর্তমান প্রশাসন ও সাদা দলের শিক্ষকরা তাকে ভালো চোখে দেখছেন না। এ কারণে তারাও ড. সায়েমা হক বিদিশাকে সরিয়ে দিতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানিয়েছেন। দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বিশ্ববিদ্যালয়টির একাধিক সাদা দলের বিএনপিপন্থী অধ্যাপক ও কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।