১৮ মার্চ ২০২৬, ১৯:৪১

ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ে জাবিসাসের আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত

ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ে জাবিসাসের আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত  © সংগৃহীত

নেপালের ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল ডিপার্টমেন্ট অব জার্নালিজম অ্যান্ড মাস কমিউনিকেশন (সিডিজেএমসি) এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (জাবিসাস) যৌথ উদ্যোগে ‘আন্ডারস্ট্যান্ডিং নেপালি মিডিয়া’ শীর্ষক একটি আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জাবিসাসের ট্যুর কনভেনর মেহেদী মামুনের নেতৃত্বে সিম্পোজিয়ামটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং জাবিসাসের ২০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করে।

সিম্পোজিয়ামে খণ্ডকালীন শিক্ষক প্রসুন সাগরৌলা নেপালের গণমাধ্যমের বর্তমান প্রেক্ষাপট, কাঠামো, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি নেপালের সংবাদমাধ্যমের ইতিহাস, গণতান্ত্রিক চর্চা এবং ডিজিটাল যুগে সাংবাদিকতার পরিবর্তিত ধারা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানের সমাপনীতে সিডিজেএমসির প্রধান ড. কুন্দন আর্যল জাবিসাস প্রতিনিধিদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, এ ধরনের আন্তর্জাতিক একাডেমিক বিনিময় কর্মসূচি দুই দেশের শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি সাংবাদিকতা শিক্ষা, গবেষণা ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নেও এটি সহায়ক হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এসময় বিভাগের শিক্ষকরা জাবিসাস প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান এবং ভবিষ্যতে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একাডেমিক সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। জাবিসাসের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক শিক্ষার্থী আন্দোলন নিয়ে প্রকাশিত সংকলন ‘অরুণোদয় (Sunrise)’ উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয়।

সিম্পোজিয়ামে জাবিসাসের ট্যুর কনভেনর মেহেদী মামুন সংগঠনটির দীর্ঘ পথচলা ও ঐতিহ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জাবিসাস গত পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে শিক্ষাঙ্গনে গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষায় কাজ করে আসছে। আন্তর্জাতিক শিক্ষাবিনিময় বর্তমান সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি জানান, ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এই আয়োজন ভবিষ্যতে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য, সিম্পোজিয়াম শেষে ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনসের পরিচালক ভিষু প্রসাদ পান্ডের সঙ্গে জাবিসাস প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। এসময় দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।