মধুর ক্যান্টিনে শিবিরের আলোচনা সভা-চিত্রপ্রদর্শনীতে আসলেন ৪ সংসদ সদস্য
আজ ২৮ ফেব্রুয়ারি। ২০১৩ সালের এইদিনে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এরপর টানা কয়েকদিন যৌথবাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে দেশব্যাপী চলা সংঘর্ষে শতাধিক নিহত হয়েছিল।
সেই রায় ও নিহতের ঘটনাকে ‘ন্যায়ভ্রষ্ট বিচার, গণহত্যা ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস’ আখ্যা দিয়ে ১৩ বছর পূর্ণ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনের সামনে এক আলোচনা সভা ও চিত্রপ্রদর্শনীর আয়োজন করেছে শাখা ছাত্রশিবির। এতে ৪ সংসদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় শুরু হওয়া এই আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসেম আরমান, পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য নজিবুর রহমান মোমেন, রংপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল আমিন এবং রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. রায়হান সিরাজী।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েমে, ডাকসু এজিএস মহিউদ্দিন খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র শিবির শাখার সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন খান প্রমুখ।
জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি মাওলানা সাঈদীর মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ সময় জামায়াতে ইসলামীর ডাকা হরতালে ব্যাপক সহিংসতা হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৬ মার্চ টানা সাত দিন যৌথবাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে দেশব্যাপী গণহত্যা চালায় আওয়ামী লীগ।
এতে শিশু ও সাধারণ নারী পুরুষসহ কমপক্ষে ১৬০ জন গুলিতে নিহত হন। পরে সাঈদীর মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ দেন আপিল বিভাগ। ২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন মাওলানা সাঈদী।