জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণ, আলামত পেল পুলিশ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ৫৩তম আবর্তনের এক নারী শিক্ষার্থীকে বাসায় নিয়ে শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪তম আবর্তনের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি (আইআইটি) বিভাগের তারিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টায় দ্য ডেইলি কাম্পাসকে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুবেল হাওলাদার।
ওসি বলেন, ‘৯৯৯ নম্বরে কল পাওয়ার পর আমরা ঘটনাস্থল থেকে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করি। পরে তিনি বাদী হয়ে মামলা করলে আমরা তা গ্রহণ করি। প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণ ও মারধরের সত্যতা পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান চলমান।’
এর আগে মঙ্গলবার পুলিশ ৯৯৯-এ কল পেয়ে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে নেয়। সেখানে তিনি তার বিভাগের এক নারী শিক্ষকের কাছে ঘটনার বিবরণ দেন।
ভুক্তভোগীর বরাত দিয়ে ওই নারী শিক্ষক বলেন, প্রাক্তন ছাত্রের সঙ্গে ভুক্তভোগী ছাত্রীর সম্পর্ক ছিল। পরে ভেঙে যায়। তবে মঙ্গলবার ওই ছাত্র ভুক্তভোগীর হলের সামনে গিয়ে অশোভন আচরণ করেন। একপর্যায়ে ওই ছাত্র কথা বলার জন্য বাসায় যেতে ওই ছাত্রীকে জোরাজুরি করেন। তিনি রাজি না হলে তাকে ব্ল্যাকমেল করেন। পরে ওই ছাত্রের বাসায় যান ভুক্তভোগী। তখন ছাত্রীর মুখ টেপ দিয়ে আটকে তাকে মারধর করা হয়, হাতে গরম পানি ঢেলে দেওয়া হয়। পরে বাসার কক্ষের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে দিয়ে প্রাক্তন ওই ছাত্র চলে যান। তখন ৯৯৯-এ কল দিয়ে জানালেন পুলিশ ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে।