২৫ জুন ২০২৬, ১২:০৫

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের মেধাবিকাশে শিক্ষা সহায়তা বৃদ্ধি করবে ইউজিসি

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন  © সংগৃহীত

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের শিক্ষা, মেধা বিকাশ ও উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান মেধাবৃত্তি ও শিক্ষা সহায়তার পরিমাণ বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এ উদ্যোগকে কমিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কল্যাণমূলক ও মানবসম্পদ উন্নয়নমুখী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইউজিসি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কর্মচারী কল্যাণ তহবিল পরিচালনা পরিষদের ৬৯তম সভায় এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। 

সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।

সভায় চেয়ারম্যান বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আর্থসামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের সন্তানদের শিক্ষাগত অগ্রগতি ও মেধা বিকাশে কার্যকর সহায়তা প্রদান করা জরুরি। শিক্ষা সহায়তা বৃদ্ধি করা হলে পরিবারগুলোতে স্থিতিশীলতা তৈরি হবে, যা কর্মক্ষেত্রে মনোযোগ ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে সরাসরি ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, একজন কর্মীর মানসিক প্রশান্তি ও কর্মদক্ষতা অনেকাংশে নির্ভর করে তার পরিবারের নিরাপত্তা ও সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে নিশ্চয়তার ওপর। সন্তানরা যদি সুশিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে ওঠে, তবে তারা ভবিষ্যতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে। এ কারণেই শিক্ষা সহায়তা বৃদ্ধি একটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সভায় কমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তানদের মেধাবৃত্তি, সাধারণ বৃত্তি এবং পরীক্ষার ফি বাবদ ৬ লাখ ৯২ হাজার ৫০০ টাকা সহায়তা প্রদানের প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করা হয়।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত চিকিৎসার জন্য মোট ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৫৫ টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়। এ ছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসা সহায়তার জন্য ৩ লাখ ৭২ হাজার ৬৯২ টাকা অনুমোদন করা হয়।

সভায় ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাইদুর রহমান, অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম, সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম, ইউজিসির পরিচালক এবং অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. ওমর ফারুখ, ইউজিসি কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মো. নাজমুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই উদ্যোগকে সংশ্লিষ্ট মহল ইউজিসির অভ্যন্তরীণ মানবসম্পদ উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক কল্যাণ এবং টেকসই প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।