ইউজিসির ৫৭ কর্মকর্তার পদোন্নতি বিতর্ক-অডিট আপত্তি, মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যা তলব
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ৫৭ কর্মকর্তার পদোন্নতি নিয়ে জটিলতা ও বিতর্ক ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। এই কর্মকর্তাদের মধ্যে ৩১ জনের পদোন্নতি হয়েছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর। ৫ আগস্ট পট পরিবর্তনের পর নিজেদের বৈষম্যের শিকার হওয়ার দাবি তুলে এসব কর্মকর্তা পদোন্নতি নিয়েছিলেন। এসব পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনো সার্কুলার দেওয়া হয়নি, নেওয়া হয়নি লিখিত পরীক্ষা কিংবা ভাইভা; এমনকি পদ না থাকলেও করা হয়েছিল পদায়ন। কমিটির সদস্য হয়ে নিজেই নিজেকে পদোন্নতি দিয়েছেন— ঘটেছে এমন ঘটনাও।
অবৈধভাবে দেওয়া এসব পদোন্নতি সেসময় বৈধ ঘোষণা করা হলেও সম্প্রতি ইউজিসির ১৭৬তম পূর্ণ কমিশন সভায় দাবি করা হয়েছে, পদোন্নতির আপগ্রেডেশনে কোনো বৈষম্য হয়নি। এর মধ্যেই অবৈধ পদোন্নতির অভিযোগে আপত্তি জানিয়েছে শিক্ষা অডিট অধিদপ্তর, আর বিষয়টি নিয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে অবৈধভাবে নেওয়া এসব পদোন্নতির ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি চিঠি ইউজিসিতে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে মন্ত্রণালয় বলেছে, ইউজিসি চাকরি প্রবিধানমালা, ১৯৮৭-এর বিধান ১৯ অনুযায়ী পদোন্নতির সুস্পষ্ট সুযোগ না থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এসব পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরের উত্থাপিত আপত্তিগুলোর বিষয়ে লিখিত বক্তব্যও চাওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘৫ আগস্ট পট পরিবর্তনের পর ইউজিসিতে পদোন্নতি-পদায়ন কীভাবে হয়েছে তা আমার জানা নেই। বিষয়গুলো আগে আমাকে জানতে হবে। এরপর এ বিষয়ে আপনি আপনাদের মন্তব্য করতে পারব। আমি বিষয়গুলো খোঁজ নেব।’
জানা গেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর ছয় সদস্যের একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে। যেখানে ইউজিসির সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলামকে আহ্বায়ক এবং সহকারী সচিব নাসরিন সুলতানাকে সদস্য সচিব করা হয়। এ ছাড়া সদস্য হিসেবে অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক মো. রেজাউল করিম হাওলাদার, যুগ্ম সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মুহম্মদ নাজমুল ইসলাম, উপসচিব (লিগ্যাল) (জেলা ও দায়রা জজ) নূরনাহার বেগম শিউলী এবং উপ সচিব মো. আসাদুজ্জামানকে রাখা হয়। যাদের পরামর্শ অনুযায়ী ওই কর্মকর্তাদের একই বছরের ১৮ নভেম্বর পদোন্নতি দেওয়া হয়।
সূত্র বলছে, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন চাকরি প্রবিধানমালা ১৯৮৭-এর (১৯৮৭ সালের ৩১ আগস্ট প্রকাশিত বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত সংখ্যা, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, প্রজ্ঞাপনে) ১৯ ধারা (পদোন্নতি) অনুযায়ী, ‘উপপ্রবিধান (২)-এর বিধান সাপেক্ষে, কমিশনের সকল পদ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করা হইবে। প্রথম শ্রেণির পদ ছাড়া অন্যান্য শ্রেণির পদের অনধিক ৫০% পদে পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা যাইতে পারে। প্রতিটি ক্ষেত্রে যোগ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতি দেওয়া হইবে এবং কোন কর্মচারী শুধু জ্যেষ্ঠতার কারণে কোন পদে বা শ্রেণিতে পদোন্নতি দাবি করিতে পারিবেন না।’
‘৫ আগস্ট পট পরিবর্তনের পর ইউজিসিতে পদোন্নতি-পদায়ন কীভাবে হয়েছে তা আমার জানা নেই। বিষয়গুলো আগে আমাকে জানতে হবে। এরপর এ বিষয়ে আপনি আপনাদের মন্তব্য করতে পারব। আমি বিষয়গুলো খোঁজ নেব।’—প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ, চেয়ারম্যান, ইউজিসি
প্রবিধান অনুযায়ী, ইউজিসির ১৫৭তম সভায় অনুমোদিত কর্মচারী নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদোন্নতি নীতিমালার ৬ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, ‘চাকরি প্রবিধানমালা, ১৯৮৭-এর ধারা ১৯-এ বিধৃত কমিশনের সকল পদ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করা হইবে। তবে দ্বিতীয় শ্রেণির পদ হইতে নিম্নতর সকল পদের অনধিক ৫০% পদে সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করা যাইবে। নীতিমালায় আরও উল্লেখ করা হয়, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সকল পদে যথাযথ বাছাই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এবং কমিশনের অনুমোদনক্রমে নিয়োগ দান করা হইবে।’
তবে পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের নিয়োগের ক্ষেত্রে এই বিধি অনুসরণ করা হয়নি। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, অতিরিক্ত পরিচালক পদে ৯ জন কর্মকর্তার পদোন্নতি দেওয়া হলেও যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার অতিরিক্ত পরিচালকের কোনো পদ খালি নেই। অবৈধভাবে দেওয়া এসব পদোন্নতি-পদোন্নয়নের ফলে সরকারের অতিরিক্ত আর্থিক দায় তৈরি হয়েছে। পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা, পদমর্যাদা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির কারণে সরকারি কোষাগার থেকে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। এ অবস্থায় বিষয়টি নিয়ে আপত্তি তোলে শিক্ষা অডিট অধিদপ্তর।
ইউজিসির ১৭৬তম পূর্ণ কমিশন সভার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের মতো ইউজিসিতেও দীর্ঘদিন পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। তারা দাবি করেন, বিগত প্রায় ১৫ বছরের শাসনামলে নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদোন্নয়ন প্রক্রিয়ায় তারা নানাভাবে বঞ্চিত হয়েছেন বলে দাবি করেন। এ প্রেক্ষাপটে ইউজিসি কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে।
কমিটি তাদের প্রতিবেদনে বৈষম্যের অভিযোগ পর্যালোচনা করে সুপারিশ প্রদান করে। এর ভিত্তিতে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে বিশেষ সভায় সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভিন্ন পদে কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেওয়া হয়। নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ নভেম্বর থেকে ২ জনকে পরিচালক, ২০২২ সালের ২ অক্টোবর থেকে ৭ জনকে অতিরিক্ত পরিচালক, ২০২৪ সালের ৫ মে থেকে ৫ জনকে অতিরিক্ত পরিচালক, ২০২৪ সালের ২৮ জুন থেকে ২ জনকে উপ-পরিচালক, ২০২৩ সালের ২৭ জুন থেকে ৯ জনকে সিনিয়র সহকারী পরিচালক, ২০২২ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ জনকে সহকারী পরিচালক এবং ২০২৪ সালের ২৮ জুন থেকে আরও ৪ জনকে সহকারী পরিচালক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত পূর্ণ কমিশন সভায় এসব পদোন্নতি অনুমোদন করা হয় এবং সেগুলো ওই তারিখ থেকেই কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে কর্মকর্তাদের জ্যেষ্ঠতা বা সিনিয়রিটি কোন তারিখ থেকে কার্যকর হবে, তা নির্ধারণের জন্য আলাদা একটি কমিটি গঠন করা হয়।
অতিরিক্ত পরিচালক পদে ৯ জন কর্মকর্তার পদোন্নতি দেওয়া হলেও যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার অতিরিক্ত পরিচালকের কোনো পদ খালি নেই। অবৈধভাবে দেওয়া এসব পদোন্নতি-পদোন্নয়নের ফলে সরকারের অতিরিক্ত আর্থিক দায় তৈরি হয়েছে। পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা, পদমর্যাদা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির কারণে সরকারি কোষাগার থেকে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।
জানা যায়, জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে গঠিত কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান। কমিটিতে আরও ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হায়দার আলীসহ ইউজিসির অন্যান্য সদস্যরা। কমিটি তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করে, পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তারা প্রকৃতপক্ষে বৈষম্যের শিকার ছিলেন না। এই প্রতিবেদনের পরই নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। কারণ, যাদের বৈষম্যের শিকার দাবি করে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছিল, তাদেরই আবার বৈষম্যের শিকার নয় বলে ১৭৬তম পূর্ণ কমিশন সভায় উল্লেখ করা হয়। এছাড়া কমিটি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কোনো ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকার বা শুনানি গ্রহণ করেনি, যা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
ইউজিসির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ পূর্ণ কমিশন সভায় এ বিষয়ে আপত্তি তুলে বলেন, শুধুমাত্র নথিপত্রের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করা যথেষ্ট নয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও আবেদনকারীদের বক্তব্য শোনা প্রয়োজন। এর প্রেক্ষিতে বিষয়টি পুনরায় যাচাইয়ের জন্য আরেকটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নতুন এই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলামকে। কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব, ইউজিসির সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান। প্রশাসন বিভাগের লিগ্যাল শাখার সহকারী সচিব মোহাম্মদ শোয়াইব এই কমিটির সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানে পদোন্নতির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, ন্যায্যতা ও বিধিমালার যথাযথ প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে কোনো ধরনের ব্যত্যয় ঘটলে তা শুধু প্রশাসনিক জটিলতাই তৈরি করে না, বরং আর্থিক ক্ষতিও ডেকে আনে।
সার্বিক বিষয়ে জানতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেককে কল দেওয়া হলে তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরবর্তী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অতিরিক্ত সচিব আলিফ রুদাবাকে কল করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘ইউজিসির পক্ষ থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি আবেদন করা হয়েছে। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে তাদের চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠির জবাব পাওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’
৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে পদোন্নতি প্রাপ্ত কর্মকর্তারা
মুহম্মদ নাজমুল ইসলাম (যুগ্মসচিব, অতিরিক্ত দায়িত্ব), মোহাম্মদ শের আলী সাবরী (উপ-পরিচালক, আইএমসিটি বিভাগ), চেয়ারম্যান দপ্তরের উপসচিব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, ড. মোঃ মহিব্বুল আহসান (উপ-পরিচালক, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগ), মোঃ মোস্তাফিজার রহমান (উপ-পরিচালক, অর্থ ও হিসাব বিভাগ), মোঃ সুলতান মাহমুদ (উপ-পরিচালক, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগ), সুরাইয়া ফারহানা (উপ-পরিচালক, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগ), মোহাঃ রোকনুজ্জামান (উপ-পরিচালক, রিসার্চ সাপোর্ট এন্ড পাবলিকেশন বিভাগ), মোঃ আঃ মান্নান (উপ-পরিচালক, অর্থ ও হিসাব বিভাগ), মুহাম্মদ মাসুদ হোসেন (উপ-পরিচালক, জেনারেল সার্ভিসেস এস্টেট এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ), মোঃ গোলাম মোস্তফা (উপপরিচালক, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগ), মোহাম্মদ আকরাম আলী খান (উপ-পরিচালক, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগ), মোরশেদ আলম খোন্দকার (সিনিয়র সহকারী পরিচালক, এসপিকিউএ বিভাগ), (মোঃ জামাল উদ্দিন, সিনিয়র সহকারী পরিচালক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগ), মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ খান (সহকারী সচিব, চেয়ারম্যান মহোদয়ের দপ্তর), মোহাম্মদ হারুন মিয়া (সহকারী পরিচালক, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগ), মোয়াজ্জেম হোসেন সরকার (সহকারী পরিচালক, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগ), মামুন পাটওয়ারী (সহকারী পরিচালক, রিসার্চ সাপোর্ট এন্ড পাবলিকেশন বিভাগ), মোঃ মোরশেদ আহম্মদ (সহকারী পরিচালক, অর্থ ও হিসাব বিভাগ), মোহাম্মদ নুর ইসলাম চৌধুরী (সহকারী পরিচালক, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগ), আকতার পেরিস (সিনিয়র সহকারী পরিচালক, রিসার্চ সাপোর্ট এন্ড পাবলিকেশন বিভাগ), হাছিনা পারভীন (সহকারী পরিচালক, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগ), খন্দকার সাবাহাত রিজভী (সহকারী পরিচালক, আইসিসি শাখা), মোঃ মনিরুজ্জামান (প্রশাসন বিভাগ), মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান (ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, অর্থ ও হিসাব বিভাগ), মোঃ আমিরুল ইসলাম (প্রশাসনিক কর্মকর্তা, রিসার্চ সাপোর্ট এন্ড পাবলিকেশন বিভাগ), মোঃ পারভেজ গাজী (ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, সচিবের দপ্তর), আয়েশা আক্তার (প্রশাসনিক কর্মকর্তা, রিসার্চ সাপোর্ট এন্ড পাবলিকেশন বিভাগ), মোঃ কফিল উদ্দিন (প্রশাসনিক কর্মকর্তা, জেনারেল সার্ভিসেস, এস্টেট এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ), মোঃ জসিম উদ্দিন (প্রশাসনিক কর্মকর্তা, আইএমসিটি বিভাগ) এবং মোঃ আবদুল্লাহ আল মামুন (প্রশাসনিক কর্মকর্তা, অর্থ ও হিসাব বিভাগ)।