০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১৬:২৬

আজ বিশ্ব নুডলস্ দিবস

বিশ্ব নুডলস দিবস আজ  © সংগৃহীত

প্রাত্যহিক খাবার তালিকা কিংবা গভীর রাতের হঠাৎ ‍ক্ষিদের চটজলদি সমাধান হিসেবে লম্বা সময় ধরে ব্যবহার হচ্ছে নুডলস। হালআমলের ট্রেন্ডী জীবনযাপনে অভ্যস্থ জেনারেশন জি বা জেন-জিরাই শুধু নয় মিলেনিয়াম জেনারেশনের অনেকেই ক্ষুধা মেটাতে দ্রুত তৈরি করা যায় বলে পছন্দের তালিকায় নুডলসকে প্রথমে রাখেন। তবে জানেন কি নুডলস প্রেমিকদের জন্যও একটি দিন আছে? 

চীন, জাপান, কোরিয়া, থাইল্যান্ডসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের খাদ্যসংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকা এই খাবার এখন ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের নানা প্রান্তে। জনপ্রিয় এই খাবারের বৈচিত্র্য, ইতিহাস ও বিশ্বজুড়ে এর বিস্তার উদ্‌যাপনে আজ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) পালিত হচ্ছে বিশ্ব নুডলস দিবস।

নুডলসের উৎপত্তি নিয়ে নির্দিষ্ট তথ্য না থাকলেও ধারণা করা হয়, খাবারটির ইতিহাস অন্তত দুই হাজার বছরের পুরোনো। ঐতিহাসিক নথিতে নুডলসের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় চীনের ইস্টার্ন হান সাম্রাজ্যের (২৫–২২০ খ্রিস্টাব্দ) সময়কার একটি গ্রন্থে। তখন খামির ছাড়া মণ্ড তৈরি করে বিভিন্ন উপায়ে নুডলস রান্না করা হতো।

সময়ের সঙ্গে নুডলস এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিটি দেশ নিজেদের খাদ্যসংস্কৃতি অনুযায়ী এর প্রস্তুতপ্রণালি ও স্বাদে বৈচিত্র্য এনেছে। জাপানের রামেন, ভিয়েতনামের ফো, থাইল্যান্ডের প্যাড থাই এবং কোরিয়ার বিভিন্ন ধরনের নুডলস সেই বৈচিত্র্যের উদাহরণ। পরে এশিয়ার সীমানা ছাড়িয়ে ইউরোপ, আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে খাবারটি।

বাংলাদেশেও নুডলস এখন বেশ জনপ্রিয়। বাড়িতে দ্রুত নাশতা বা হালকা খাবার হিসেবে যেমন এটি তৈরি করা হয়, তেমনি শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে ব্যস্ত চাকরিজীবীদের কাছেও ইনস্ট্যান্ট নুডলস দ্রুত ক্ষুধা মেটানোর সহজ উপায় হিসেবে পরিচিত। বাজারে এখন বিভিন্ন ধরনের ইনস্ট্যান্ট নুডলসও পাওয়া যাচ্ছে।

বিশ্ব নুডলস দিবস কেবল জনপ্রিয় এই খাবার উপভোগের উপলক্ষ নয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের খাদ্যসংস্কৃতিতে নুডলসের বৈচিত্র্য ও দীর্ঘ ইতিহাস জানারও সুযোগ করে দেয় দিনটি।