১৮ জুলাই ২০২৬, ১৩:৩১

কীভাবে বুঝবেন আপনার ওয়াইফাই অন্য কেউ ব্যবহার করছে?

ওয়াইফাই  © সংগৃহীত ও টিডিসি সম্পাদিত

বর্তমানে প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই ওয়াইফাই সংযোগ ব্যবহার করা হয়। তবে অনেকেই বুঝতে পারেন না, তাদের অজান্তে অন্য কেউ সেই সংযোগ ব্যবহার করছে কি না। ওয়াইফাই অননুমোদিতভাবে ব্যবহৃত হলে ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে, দ্রুত ডেটা শেষ হতে পারে। এমনকি ব্যক্তিগত তথ্যও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। তবে কয়েকটি সাধারণ লক্ষণ দেখেই বিষয়টি সহজে শনাক্ত করা সম্ভব।

যেসব লক্ষণে সতর্ক হবেন
ওয়াইফাই ব্যবহারের সময় কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ ইন্টারনেটের গতি অনেক কমে গেলে সতর্ক হওয়া উচিত। একই সঙ্গে স্বাভাবিকের তুলনায় দ্রুত ইন্টারনেট ডেটা শেষ হয়ে গেলেও তা অননুমোদিত ব্যবহারের ইঙ্গিত হতে পারে।

এ ছাড়া বাড়িতে কোনো ডিভাইস ব্যবহার না করা সত্ত্বেও যদি রাউটারের ইন্ডিকেটর লাইট অনবরত জ্বলতে-নিভতে থাকে, তাহলে সেটিও সন্দেহের কারণ হতে পারে। এর অর্থ হতে পারে, অন্য কোনো ডিভাইস আপনার ওয়াইফাই ব্যবহার করছে।

কীভাবে নিশ্চিত হবেন
ওয়াইফাই সংযোগে অপরিচিত কোনো ডিভাইস যুক্ত হয়েছে কি না, তা জানতে রাউটারের অ্যাডমিন প্যানেলে লগইন করতে হবে। এজন্য ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে রাউটারের আইপি ঠিকানা লিখুন। এটি সাধারণত ১৯২.১৬৮.১.১ অথবা ১৯২.১৬৮.০.১ হয়ে থাকে এবং রাউটারের গায়েও উল্লেখ থাকে।

লগইন করার পর কানেকটেড ডিভাইস বা অ্যাটাচড ডিভাইস অপশনে গেলে বর্তমানে সংযুক্ত থাকা সব ডিভাইসের তালিকা দেখা যাবে। সেখানে পরিচিত ডিভাইসের বাইরে কোনো অপরিচিত নাম বা ডিভাইস দেখা গেলে বুঝতে হবে অন্য কেউ আপনার ওয়াইফাই ব্যবহার করছে।

আরও পড়ুন : চাকরি দেবে এনসিসি ব্যাংক, আবেদন ২৫ জুলাই পর্যন্ত

যেভাবে সুরক্ষিত রাখবেন ওয়াইফাই
অপরিচিত কোনো ডিভাইস শনাক্ত হলে সবার আগে ওয়াইফাইয়ের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন। পাসওয়ার্ডটি এমন হতে হবে, যা সহজে অনুমান করা সম্ভব নয়। পাশাপাশি ওয়াইফাইয়ের নাম বা এসএসআইডি পরিবর্তন করলেও আগে থেকে যুক্ত থাকা অচেনা ডিভাইসগুলো সংযোগ হারাবে।

এ ছাড়া নিরাপত্তা বাড়াতে রাউটারে  ডব্লিউপিএ২ অথবা ডব্লিউপিএ৩ এনক্রিপশন চালু রাখা উচিত। একই সঙ্গে ডব্লিউপিএস (ওয়াই-ফাই প্রোটেকটেড সেটআপ) ফিচারটি বন্ধ রাখার পরামর্শ দেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা। কারণ, এই ফিচারের দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে অনেক সময় হ্যাকাররা সহজেই ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে।