০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৯

স্বাধীনতা-পরবর্তী নৈরাজ্য দূর করে জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনেন মেজর জিয়া: ইবি জিয়া পরিষদ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় জিয়া পরিষদ  © সংগৃহীত

৭ নভেম্বরে বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়ে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান একদলীয় বাকশাল বিলুপ্ত করে বহুদলীয় গণতন্ত্র, বিশৃঙ্খল সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা এবং সর্বস্তরে স্বাধীনতা পরবর্তী নৈরাজ্য দূর করে জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনেন বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় জিয়া পরিষদ’-এর নেতারা। 

শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সংগঠনটির পক্ষ থেকে পাঠানো এক অভিনন্দন বার্তায় এ কথা বলেন ইবি জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. ফারুকুজ্জামান খান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম। 

বিবৃতিতে নেতারা বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহি-জনতার সম্মিলিত অভ্যুত্থান দেশের তৎকালীন রাজনৈতিক সংকট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিল। ১৫ আগস্ট-পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহে একদল বিভ্রান্ত সৈনিক তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে বন্দি করলে বীর সিপাহি-জনতা তাঁকে চারদিনের বন্দিদশা থেকে মুক্ত করেন। এই ঘটনা দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে এক নতুন গতিপথ সৃষ্টি করে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জাতীয় নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদা রক্ষার প্রশ্নে সেদিনেক সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা ইতিহাসে চির-অম্লান হয়ে থাকবে। 

তারা আরও বলেন, ৭ নভেম্বরের এই ঘটনা প্রবাহে তার মুক্তি এবং পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বে অধিষ্ঠিত হওয়া দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে নতুন গতিপথ সৃষ্টি করে। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি একদলীয় শাসনব্যবস্থা বিলুপ্ত করে বহুদলীয় গণতন্ত্র, বিশৃঙ্খল সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা এবং দেশের সর্বস্তরে স্বস্তি ফিরিয়ে আনেন। তার সুদূরপ্রসারী নেতৃত্বে দেশে জাতীয়তাবাদ, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ও স্বনির্ভর অর্থনীতির যে ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল, তা নতুন আঙ্গিকে পরিচিতি লাভ করে। সিপাহি জনতার সেই চেতনা ফিরে এসেছে নব্বইয়ের ডিসেম্বরে, চব্বিশের আগস্টে এবং ফিরে আসবে বারবার গণমানুষের সকল সংগ্রামে। 

স্বৈরাচারী সরকার দীর্ঘসময় এ দিবসটিকে গোলামির কালো চাদরে ঢেকে রাখলেও আজ জনগণের সরকার পুনরায় জাতীয় দিবস হিসেবে পালন করছে উল্লেখ করে ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বরের ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহে অবদান রাখা সকল সিপাহি ও সাধারণ জনগণের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন ইবি জিয়া পরিষদের নেতারা।