০৬ আগস্ট ২০২৬, ১৫:২৩

৪০৪ শিক্ষকের রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতার অভিযোগে ইবি জিয়া পরিষদের নিন্দা

ইবি ও জিয়া পরিষদের লোগো  © সংগৃহীত

দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ পরিপন্থী ও রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) জিয়া পরিষদ। একই সঙ্গে ফ্যাসিজমকে পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরিচালিত যে কোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে যথোপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তারা। 

বুধবার (৫ আগস্ট) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. ফারুকুজ্জামান খান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় সংগঠনটি।

বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বাংলাদেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ পরিপন্থী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি দলের আদর্শিক তৎপরতায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে। জুলাই গণআন্দোলনের পর প্রতিষ্ঠিত জাতীয় মূল্যবোধের অংশীদার হিসেবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় জিয়া পরিষদ এহেন ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

তারা আরও বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলটির আদর্শিক অবস্থান সমর্থন করে একটি শিক্ষক সংগঠনের বিভিন্ন তৎপড়তা ইতোমধ্যে অনলাইনসহ নানা মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে। এমতাবস্থায় ফ্যাসিজমকে পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরিচালিত যে কোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে যথোপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

একই সঙ্গে সারা দেশে কয়েক দিন ধরে পরিচালিত সন্ত্রাস, বিশৃঙ্খলার মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্তের বিরুদ্ধে সব পক্ষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় জিয়া পরিষদ। 

উল্লেখ্য, সম্প্রতি গণমাধ্যমে ‘শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষকের গোপন তৎপরতা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষক গোপন তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে উল্লেখ করা হয় যার মধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪ জন শিক্ষক রয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।