সুপারিশপ্রাপ্ত নন-এমপিও শিক্ষকদের এমপিও প্রতিষ্ঠানে সমন্বয়নের দাবি
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সমন্বয় করে এমপিওভুক্তির দাবিতে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।
রবিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এনটিআরসিএ নন-এমপিও অধিকার আদায় পরিষদের আহবায়ক মো. কবির উদ্দিন ও সদস্য সচিব আলম নূরী কিছমো জাহান স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিটি জমা দেওয়া হয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, ‘এনটিআরসিএ কর্তৃক ১ম, ২য় ও ৩য় গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মেধাতালিকার ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বল্পসংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ পান। কিন্তু নিয়োগের পর দীর্ঘ ৮ থেকে ৯ বছর পার হলেও তারা কোনো ধরনের বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না। দীর্ঘদিন ধরে বেতন-ভাতা ছাড়া শিক্ষকতা করতে গিয়ে তারা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। অনেকেই পরিবার ও সমাজে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন এবং অনিশ্চয়তার মধ্যে জীবনযাপন করছেন।’
সংগঠনটি জানায়, ‘একই গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এমপিও ও নন-এমপিও উভয় পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ায় নন-এমপিও পদে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। পরে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির পর থেকে এনটিআরসিএ নন-এমপিও পদে নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়, যা এ ধরনের নিয়োগ ব্যবস্থার বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।’
সংগঠনের নেতারা বলেন, ‘বর্তমানে এনটিআরসিএ নতুন নতুন গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এমপিওভুক্ত পদে শিক্ষক নিয়োগ দিলেও আগে নন-এমপিও প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা বেতন-ভাতা ছাড়া মানবেতর জীবনযাপন করছেন, যা অমানবিক ও বৈষম্যমূলক। এ পরিস্থিতিতে এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত নন-এমপিও শিক্ষকদের দেশের যেকোনো স্থানের এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সমপদে সমন্বয়ের মাধ্যমে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রতিস্থাপন করে এমপিওভুক্তির ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে স্মারকলিপিতে।’
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, ‘এ দাবি বাস্তবায়ন হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা স্বাভাবিকভাবে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত থেকে দেশ ও জাতি গঠনে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।’