২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৫৫

১৮তম বিজেএস সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত চবির ১৫ শিক্ষার্থী

সুপারিশপ্রাপ্ত চবির ১৫ শিক্ষার্থী  © টিডিসি সম্পাদিত

১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ১৫ শিক্ষার্থী। 

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ১৮তম বিজেএস পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর খোঁজ নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানা যায়। বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষার বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে তারা সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হন।

সুপারিশপ্রাপ্তরা হলেন— চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের হেফজুর রহমান ইমন, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের দানিয়েল সরোয়ার ভূঁঞা, ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের দীপংকর বড়ুয়া ও অ্যাপলো দেওয়ান, ২০১৫-১৬ সেশনের আমিরুল ইসলাম মুন্না, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ইব্রাহিম খলিল খান সিনান ও অনিক দাশ, ১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের অভি দত্ত, মাজেদা মাহবুব স্মৃতি ও জান্নাতুল ফেরদাউস সোনিয়া এবং ইকরামুল আলম ফাহিম, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মো. রাকিব হাসান, তাছনিম নুহা, শহিদুল ইসলাম স্বপন ও মো. শাকিল হোসেন। 

জানা যায়, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন দেশের অধস্তন আদালতের বিচারক নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষা আয়োজন করে। প্রাথমিক, লিখিত ও মৌখিকসহ বিভিন্ন ধাপের পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের বাছাই করা হয়।

সাফল্যের অনুভূতি জানিয়ে মো. রাকিব হাসান বলেন, এটা ছিল আমার ফার্স্ট এটেম্প্ট। প্রথমবারেই আমার স্বপ্ন, আমার বাবা-মায়ের স্বপ্ন এভাবে পূরণ হবে ভাবতে পারিনি। যখন রেজাল্ট শিটে আমার রোলটা দেখতে পাই সেই অনুভূতি আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। সবশেষে আমি ও আমার পরিবার খুব খুশি।

২০১৪-১৫ সেশনের দীপংকর বড়ুয়া বলেন, সিভিল জজ হিসেবে মনোনীত হওয়া আমার জীবনের এক অনন্য অর্জন ও পরম গৌরবের বিষয়। এ সাফল্যের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে আমার প্রয়াত পিতার লালিত স্বপ্ন, অনুপ্রেরণা ও ত্যাগ। বিচারিক দায়িত্ব পালনে আইন, ন্যায় ও বিবেকের প্রতি অবিচল থেকে সততা, নিরপেক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করাই আমার অঙ্গীকার। মানুষের ন্যায়বিচারের অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে অর্পিত দায়িত্বের মর্যাদা রক্ষা করতে চাই।

মো. শাকিল হোসেন বলেন, রেজাল্ট দেওয়ার আগের দিন রাত থেকে কল্পনায় শুধু ভাসছে আমি জাজ হয়ে গেছি। মা, আমার স্ত্রী ও আশেপাশের সবাই আনন্দ করেছে। রেজাল্ট হওয়ার পর সেটারই যেন প্রতিফলন ঘটল।

২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের তাছনিম নুহা বলেন, আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর অশেষ রহমতে প্রথমবারেই একজন বিচারক হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি। আমার জন্য একই সাথে এলএলএম আর বিজেএস পরীক্ষা দেওয়া অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল। তবে আল্লাহ সহায় হওয়ায় এবং আমার বাবা-মা, পরিবার, শিক্ষক, সহপাঠী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীর সাপোর্টে আমি সফলতার সাথে এই পথ অতিক্রম করেছি। সবাই দোয়া করবেন আমি যেন আমার ওপর অর্পিত এই মহান দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করতে পারি।