২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩:২০

১৮শ বিজেএসে ইবি থেকে জজ হলেন ১৯ শিক্ষার্থী 

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়  © সংগৃহীত

১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ১৯ শিক্ষার্থী। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, তাদের মধ্যে আইন বিভাগের ১৪ জন, আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের চারজন এবং আল-ফিকহ অ্যান্ড ল বিভাগের একজন শিক্ষার্থী রয়েছেন।

সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে আইন বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের আরিফুল ইসলাম, ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের মো. আসিফ ইসলাম, শফিক শোভন, ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাদিয়া আফরিন খান, ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের হুমায়ন কবির ও সালমা খাতুন, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শারমিন খাতুন, অ্যাডভোকেট শাকির আলম, অ্যাডভোকেট মেহবুবা মোহিনী, মো. রাফিকুজ্জামান, মো. আনোয়ার হোসেন (৩৪ তম) ও অ্যাডভোকেট ইয়াসমিন খাতুন এবং ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মো. লিখন ইসলাম ও ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মো. আমজাদ হোসেন রয়েছেন।

ল এন্ড ল্যান্ড এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের সুপারিশপ্রাপ্তরা হলেন ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের এ.এইচ. হাবিব ও তৌহিদুল ইসলাম, ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের নুসরাত জাহান তানী এবং ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের রোকনুজ্জামান রাইহান।

এছাড়া আল-ফিকহ অ্যান্ড ল বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের রাজু আহমেদ সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তিনি জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় সারা দেশে ২৬তম স্থান অর্জন করেছেন।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন (বিজেএসসি) সচিবালয়ের পরীক্ষানিয়ন্ত্রকের দপ্তর থেকে ১৮তম বিজেএস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে মোট ২০০ জন প্রার্থীকে সাময়িকভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে ইবির ১৯ শিক্ষার্থীর বিচারক হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার বিষয়টি জানা যায়।

সুপারিশপ্রাপ্ত শাকির আলম বলেন, মহান আল্লাহ তা'আলার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা। টানা দুই বার ব্যর্থ হওয়ার পরও হাল ছাড়িনি। তৃতীয়বারের চেষ্টায় উত্তীর্ণ হয়েছি। কুরআনের সেই আয়াত মনে পড়ে যায় যে, শিগগিরই তোমার রব তোমাকে এত বেশি দিবেন যে তুমি খুশি হয়ে যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকেই আমার ইচ্ছে ছিল যে একদিন বিচারক হয়ে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবো। পরিবার ও সমাজের এ ব্যাপারে উৎসাহিত করতে অবদান আছে। পাশাপাশি উৎসাহিত হয়েছি বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাই-আপুদের সুপারিশপ্রাপ্ত হতে দেখে। আমার সবচেয়ে বড় ভালো লাগা সাদ্দাম হোসেন হলের ৪২২ নম্বর রুম থেকে আমরা তিনজনই জজ হয়েছি।’