যুক্তরাষ্ট্রের আর-ওয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপে যাচ্ছেন মাভাবিপ্রবির তাইয়্যেবা
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) বায়োটেকনোলজি ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (বিজিই) বিভাগের ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী তাইয়্যেবা খান যুক্তরাষ্ট্রের স্বনামধন্য ওয়েইন স্টেট ইউনিভার্সিটির (আর-ওয়ান বিশ্ববিদ্যালয়) বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেস (মলিকুলার বায়োলজি ও বায়োটেকনোলজি বিষয়ে) প্রোগ্রামে ফল-২০২৬ সেশনের জন্য গ্র্যাজুয়েট টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপসহ পূর্ণ অর্থায়িত পিএইচডি বৃত্তি অর্জন করেছেন। এই বৃত্তির আওতায় তিনি সম্পূর্ণ টিউশন ফি, মাসিক ভাতা, মেডিকেল (ভিশন ও ডেন্টালসহ) ইনস্যুরেন্স এবং সামার (গ্রীষ্মকালীন) ফান্ডিং সুবিধা পাচ্ছেন।
এর আগে তিনি মাভাবিপ্রবি থেকে ২০১৭-২০১৮ সেশনে সিজিপিএ ৪.০০ এর মধ্যে ৩.৮১ পেয়ে বিএসসি ২০২১-২০২২ সেশনে সিজিপিএ ৪.০০ এর মধ্যে ৩.৮৫ পেয়ে অত্যন্ত সাফল্যের সাথে এমএস সম্পন্ন করেন।
তাইয়্যেবা খানের বেড়ে ওঠা টাঙ্গাইল জেলা সদরের সাবালিয়াতে। তবে তাঁর গ্রামের বাড়ি কালিহাতী উপজেলায়। ছোটবেলা থেকেই তিনি অত্যন্ত মেধাবী ও পরিশ্রমী একজন শিক্ষার্থী। সেই ধারা অব্যাহত রেখেই তিনি ২০১৫ সালে ট্যালেন্ট পুলে বৃত্তি এবং ২০১৭ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫.০০ অর্জন করেন।
তাইয়্যেবা খান জানিয়েছেন, শৈশব থেকেই পড়াশোনার প্রতি তাঁর অদম্য আগ্রহ ও পরিশ্রম তাঁকে আজ এই চূড়ান্ত সাফল্যে পৌঁছে দিয়েছে। এই যাত্রায় তাঁর বাবা-মা, স্বামী ও মামারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর স্বামী মাভাবিপ্রবির ফুড টেকনোলজি অ্যান্ড নিউট্রিশনাল সায়েন্স (এফটিএনএস) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে শিক্ষাছুটিতে আমেরিকার একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি গবেষণায় নিয়োজিত আছেন।
পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধু-বান্ধব সকলের কাছে নিজের সফলতার জন্য দোয়া কামনা করে ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাইয়্যেবা খান। উচ্চশিক্ষার জন্য যারা দেশের বাইরে বৃত্তি সহকারে ভর্তি হতে চান, তাদের উদ্দেশ্যে তাঁর পরামর্শ হল, কখনো হাল না ছেড়ে ধারাবাহিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। পাশাপাশি একটি শক্তিশালী এসওপি, ভাল সুপারিশপত্র, ১ থেকে ২টি গবেষণা প্রকাশনা, ভাল ইংরেজি দক্ষতার স্কোর এবং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সকল আবেদনপত্র জমা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।