ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ হলে ছাত্রদলের উদ্যোগে ডিপ ফ্রিজ বিতরণ
শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯টি আবাসিক হলের জন্য মোট ৯টি ডিপ ফ্রিজ বিতরণ করেছে শাখা ছাত্রদল। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে এই ডিপ ফ্রিজ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
শাখা ছাত্রদলের আহবায়ক মাসুদ রুমি মিথুনের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব রাফিজ আহমেদের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী। এ ছাড়া গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উপদেষ্টা মাহবুব আলম শাহ। এ ছাড়া জিয়া পরিষদ, ইউট্যাব, কর্মকর্তা সমিতি, কর্মচারী সমিতির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আনোয়ার পারভেজ বলেন, ‘আমরা কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করতে চাই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য রাজনীতি করে। আমরা একটি অঙ্গীকার করতে চাই—রাজনীতিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য এবং শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি আদায়ের জন্য সেই কণ্ঠস্বর হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।’
গেস্ট অব অনার বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উপদেষ্টা মাহবুব আলম শাহ বলেন, ‘যদিও এই অল্প সময়ে নোটিসের মাধ্যমে এই সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠান মাধ্যমে ছাত্রদের যৌক্তিক দাবি-দাওয়া সম্পর্কিত ছাত্রদলের ইতিমধ্যে যে কার্যক্রমগুলো শুরু হয়েছে, আমি আশা করব শুধু আমাদের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় নয়, আপনাদের মাধ্যমে এই অঞ্চলের যত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে, আপনারা সবার অভিভাবক হিসেবে ভূমিকা পালন করবেন। দল, মত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে ছাত্রদল একটা ঐকান্তিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে কার্যকারী ভূমিকা রাখবেন। প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান বাংলাদেশকে নতুনভাবে পুনর্নির্মাণের জন্য যে সংস্কার কার্যক্রমগুলো শুরু করেছেন, আপনাদের মাধ্যমে দল, মত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে আপনারা সবাইকেই নিয়ে বাংলাদেশকে গড়ার জন্য সামনের দিকে এগিয়ে যাবেন— এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি।’
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইবি উপাচার্য ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, ‘ছাত্রদল আজকে যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, এটি যেমন প্রশংসনীয়, ঠিক একইভাবে এটি একটি দৃষ্টান্ত বটে। আমি মনে করি, বিশ্ববিদ্যালয় যেহেতু একটি মুক্ত চিন্তার একটি ক্ষেত্র, এখানে বিভিন্ন মত, পথের মানুষ থাকবে, বিভিন্ন সৃজনশীল ছাত্রসংগঠন থাকবে এবং যার যার অবস্থান থেকে তাদের যে লক্ষ্য-উদ্দেশ্য, সেটি শিক্ষার্থীদের মাঝে তারা সেটি প্রচার এবং সেটিকে মোটিভেশন দেওয়ার চেষ্টা করবে। কার্যক্রমটি দৃষ্টান্ত ধরে আমি মনে করি অপরপর সকল শিক্ষা- সকল সৃজনশীল ছাত্রসংগঠন সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য, সাধারণ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে তাদের কার্যক্রমগুলো পরিচালিত করলে বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতিতে ইতিবাচক একটি পরিবর্তন ঘটবে।’