০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:০৫

চবির সিলেকশন বোর্ড পুনর্গঠন ও শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনের দাবি সাদা দলের

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমাজ (সাদা দল)  © টিডিসি ফটো

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) বিভিন্ন নিয়োগের সিলেকশন বোর্ড পুনর্গঠন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্ষদে নির্বাচিত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমাজ (সাদা দল)। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট কক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এসব দাবি জানায় সংগঠনটির একটি প্রতিনিধি দল।

সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধি দল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে তাদের উদ্বেগ, মতামত ও দাবি তুলে ধরে। এর মধ্যে প্রধানত ১৯৭৩ সালের বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্ট অনুসরণ করে সিলেকশন বোর্ড গঠন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও নির্বাচিত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় প্রতিনিধি দলের পক্ষে বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নেছারুল করিম, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম এবং অধ্যাপক ড. আ.স.ম. আবদুল মান্নান চৌধুরীসহ অন্যরা।

সাদা দলের প্রতিনিধিরা অভিযোগ করেন, ১৯৭৩ সালের অ্যাক্টের বিধান অনুসরণ না করে সম্প্রতি কয়েকটি প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক নিয়োগের সিলেকশন বোর্ড গঠন করা হয়েছে। তাদের দাবি, এসব বোর্ড গঠনের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে অনুসৃত রীতি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞ শিক্ষকদের উপেক্ষা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।

এ অবস্থায় বিদ্যমান সিলেকশন বোর্ডগুলো পুনর্গঠন করে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানায় সাদা দল। একই সঙ্গে বিশেষজ্ঞ সদস্যদের সমন্বয়ে বোর্ড পুনর্গঠন না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখার অনুরোধ জানানো হয়।

অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতান্ত্রিক চর্চা ও নির্বাচিত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন সাদা দলের প্রতিনিধিরা। তারা বিভিন্ন পর্ষদে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন, সিন্ডিকেট নির্বাচন, ডিন নির্বাচনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবি জানান।

তাদের মতে, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ, জবাবদিহি ও গণতান্ত্রিক চর্চা আরও শক্তিশালী হবে।