আম্মারের সাথী পদ বাতিল নিয়ে মুখ খুললেন শিবির সভাপতি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের ‘সাথী পদ বাতিল’ সংক্রান্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নথিটি ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সংগঠনের কোনো আনুষ্ঠানিক ফরম্যাটে প্রকাশিত হয়নি বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রাজশাহী মহানগরীতে ছাত্রশিবিরের একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, বিষয়টি প্রায় এক বছর আগের। কেন্দ্রীয় সংগঠন কিংবা সংশ্লিষ্ট শাখার পক্ষ থেকেও ওই ফরম্যাটে কোনো নথি প্রকাশ করা হয়নি।
তিনি বলেন, সালাউদ্দিন আম্মার বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে স্বাধীনভাবে তার দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ব্যক্তি হিসেবে যে কর্মকাণ্ড করছেন, তার দায় ইসলামী ছাত্রশিবির নেবে না। তার ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডকে এক করে দেখারও সুযোগ নেই।
শিবির সভাপতি আরও বলেন, সালাউদ্দিন আম্মার পূর্বে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন তিনি স্বীকার । তবে সংগঠনের নীতিমালা, কর্মসূচি ও নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ না করায় সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শৃঙ্খলা ভঙ্গ, আনুগত্যের ঘাটতি কিংবা সাংগঠনিক নির্দেশনা অমান্যের ক্ষেত্রে ছাত্রশিবিরে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নথিটি কীভাবে প্রকাশ্যে এসেছে, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানান নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা অনুসন্ধান করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, সংগঠনের কেউ এতে জড়িত থাকলে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর সংগঠনের বাইরের কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশে ট্যাগিং, ফ্রেমিং ও ভিন্নমত দমনের রাজনীতি আর চলতে দেওয়া উচিত নয়। ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস, দখলদারিত্ব ও সাংবাদিক হয়রানি বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।