সালমান মুক্তাদিরের পাশে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদেক কায়েম অভিযোগ করেছেন, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে ভাঙচুর, ছিনতাই ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি লিখেছেন, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় জুলাইয়ের অকুতোভয় কন্ঠস্বর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে ব্যাপক ভাংচুর, ছিনতাই ও লুটপাট করেছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা। এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। সারাদেশে চাঁদাবাজি ও দখলদারির যে ত্রাস তৈরি হয়েছে, এটি তারই একটি ভয়াবহ নমুনা।
সাদেক কায়েম আরও লিখেছেন, আমরা দেখছি, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর সরকারের প্রশ্রয়ে দেশের প্রতিটি জায়গায় কিছু নব্য জমিদারের উত্থান ঘটেছে। তারা যেন দেশটাকে নিজেদের জমিদারি মনে করে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে নানা জায়গায় খাজনার মতো চাঁদা দাবি করছে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালেই হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট। মানুষের তিলে তিলে গড়ে তোলা স্বপ্ন, বছরের পর বছর পরিশ্রমে দাঁড় করানো ব্যবসা কিংবা প্রতিষ্ঠান মুহূর্তেই ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, এভাবে একটা দেশ চলতে পারে না। নিজের দলের নব্য জমিদারদের লাগাম সরকার যতো দ্রুত টেনে ধরতে পারবে, সেটা তাদের নিজদের জন্যই মঙ্গলজনক হবে। বাংলাদেশকে আমরা আর কারও জমিদারিতে পরিণত হতে দিবো না, এই দেশ হবে জনগণের।
এর আগে, শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের নিউগ্রিনি প্রপার্টিজে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর লাইভ ভিডিওতে আসেন সালমান মুক্তাদির। ওই ভিডিওতে স্টুডিওর ভাঙচুর ও লুটপাটের চিত্র দেখা যায়। সিসি ক্যামেরাসহ স্টুডিওর সব যন্ত্রাংশ লুট করা হয়েছে। রুমের বিভিন্ন জিনিসপত্রও লুটপাট করা হয়েছে। পরে সেগুলো ভেঙে তছনছ করে ফেলা হয়।
সালমান মুক্তাদিরের অভিযোগ, বিএনপির লোকজন তার কাছে চাঁদা দাবি করেছিলেন। তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এরপর প্রতিশোধ হিসেবে স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও ছিনতাই করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।